1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন। রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা। জাকের মঞ্জিল দরবার শরীফে আসন্ন মহা পবিত্র উরস শরীফ ২০২৭ দাওয়াতী জলসা অনুষ্ঠিত। বিলাইছড়িতে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। সাতক্ষীরায় তথ্য অধিকার বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত।  হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে লীজ কৃত জলাশয়ে মাছ শিকারে বাঁধা দেওয়ায় হামলার ঘটনায় আহত যুবকের মৃত্যু। কেশবপুরের মজিদপুরে পুলিশ ও স্থানীয়দের যৌথ উদ্যোগে ‘ভিলেজ ডিফেন্স কমিটি’ গঠন। প্লাস্টিক-পলিথিনের দূষণ রোধে শ্যামনগরে শিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা।

কেশবপুরে ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে কৃষকের ব্যপক ক্ষতি।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১২০ বার পঠিত

 

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি।

যশোরের কেশবপুরে সম্প্রতি ঘূর্ণিঝড়ের কৃষকের ব্যপক ক্ষতি ক্ষতি হয়েছে। আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে বিস্তীর্ণ এলাকার ধানক্ষেত লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল-২৬) রাত ৯টার দিকে হঠাৎ আকাশে ঘন মেঘ জমে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি ও ঘূর্ণিঝড় বয়ে যায়। অল্প সময়ের এই ঝড়েই উপজেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকদের মাঠভর্তি আধাপাকা ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এতে কৃষকদের মধ্যে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার সরেজমিনে এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার মূলগ্রাম, ভবানীপুর, হাবাসপোল, বেগমপুর, দোরমুটিয়া, বেলকাটি ও পাঁজিয়া অধিকাংশ জমির ২৮ জাতের ধান পড়ে গেছে। কোথাও পুরো ক্ষেত মাটিতে লেগে গেছে, আবার কোথাও আংশিকভাবে হেলে পড়েছে। ফলে ধানের শীষ মাটির সংস্পর্শে আসলে এবং বর্ষার পানি জমলে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিবে।
উপজেলার দোরমুটিয়া গ্রামের কৃষক হুমায়ূন কবির, আব্দুস সামাদ ও আব্দুল ওয়াদুদ জানান, আকস্মিক এই ঘূর্ণিঝড়ে তাদের ক্ষেতের ধান পড়ে গেছে। তারা আশঙ্কা করছেন, পড়ে থাকা ধান দ্রুত কাটা না গেলে চিটা হয়ে যেতে পারে এবং ফলন মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। একই চিত্র বেলকাটি গ্রামেও। কৃষক শহিদুজ্জামান বলেন, চোখের সামনে সব ধান মাটিতে লুটিয়ে আছে। ঝড়ে পড়ে যাওয়া ধান চিটে হয়ে যায়। এই ধানই ছিল আমাদের সারা বছরের ভরসা। অনেক কষ্ট করে জমি চাষ করেছি, ঋণ নিয়ে সার-বীজ কিনেছি। এখন বড় দুশ্চিন্তায় আছি। অধিকাংশ কৃষক জানান, ঝড়ের সময় বাতাসের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেতেই শক্ত গাছও টিকে থাকতে পারেনি।
তবে এ পরিস্থিতিতে কিছুটা আশার কথা জানিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান পড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ ধান পাকার কাছাকাছি থাকায় চিটা হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম।’ তিনি আরও জানান, ‘জমির উর্বরতা বেশি হওয়া এবং অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সার ব্যবহারের ফলে ধানের গাছ নরম হয়ে যায়, যা ঝড়ে সহজে পড়ে যায়। তবে দ্রুত ধান কেটে ফেলতে পারলে ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। মাটিভেদে সার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও ক্ষেয়াল করার প্রয়োজন।
ছবিঃ
১০/০৪/২৬

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT