1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের দাবী । উচ্চ বেতনে চাকরির নামে ১৭ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ। পিবিআই খুলনার অভিযানে প্র*তারক চক্রের -১ সদস্য গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ, থানায় লিখিত অভিযোগ। উন্নয়নের নাগরিক অঙ্গীকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে সাদীপুর ১ নম্বর ওয়ার্ডে মেয়র প্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ। তালায় নবাগত অফিসার ইনচার্জ এর সাথে তালা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সৌজন্য সাক্ষাৎ। তালায় প্রান্তিক পেশাজীবীদের জীবন মান উন্নয়নে ১০ দিনের পেশাভিত্তিক সফটস্ক্রিল প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত । জুরাছড়িতে  লেপ্রসি মিশন কর্তৃক কর্মশালা অনুষ্ঠিত । কেশবপুরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের আয়োজনে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা। রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদে বম জনগোষ্ঠীর নাম অন্তর্ভুক্তির দাবিতে। কেশবপুরে প্রশাসনের আয়োজনে ঈদ-ই- মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপন।

কাঠের মই বেয়ে উঠতে হয় কোটি টাকার ব্রিজে ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২১০ বার পঠিত

লংগদু প্রতিনিধি আরাফাত হোসেন বেলাল।

 

দীর্ঘ ৯ বছরেও ব্রিজের দুইপাশে নির্মিত হয়নি সংযোগ সড়ক। ব্রিজটি ঠায় দাঁড়িয়ে থাকলেও নেই সংযোগ সড়কের মাটি। এ কারনে কাঠের মই বেয়ে ওঠানামা করতে হয় ব্রিজে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়দের।

সংযোগ সড়কবিহীন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ব্রিজ রাঙামাটির লংগদু উপজেলার ১ নম্বর আটারকছড়া ইউনিয়ন ও মিজান মুন্সির বাড়ির সামনের মাইনী নদীর উপর নির্মিত। ব্রিজটির দুই পাশে ৫০টি পরিবারের বসবাস। সংযোগ সড়ক না থাকায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে ৮-৯ ফুট উঁচু কাঠের মই বেয়ে ব্রিজ পারাপার হচ্ছে এসব পরিবারের সদস্যরা। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে নারী ও শিশুরা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সারাবছর কাঠের মই বেয়েই মাথায় বা কাঁধে মালামাল বহন করে ব্রিজ পারাপার হতে হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে মাইনী নদীতে পানি বাড়ার কারণে ব্রিজটি ব্যবহার করা যায় না। তখন নৌকায় চলাচল করতে হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,২০১২-১৩ অর্থবছরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় ব্রিজটি। এরপর ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রিজের দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এর সুফল পাচ্ছে না আশপাশের মানুষ।

১ নম্বর আটারকছড়া ইউনিয়নের মেম্বার আব্দুর রহমান জানান,ব্রিজটির দুই পাশে দ্রæত সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ বরাবর বারবার আবেদন করা হয়েছে।

ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা জানান,ব্রিজটি রাঙামাটি জেলা পরিষদ নির্মাণ করেছে। সংযোগ সড়ক নির্মাণের দায়িত্বও তাদেরই। তবে বর্তমানে বরাদ্দ না থাকায় সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি জেলা পরিষদের নজরে দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT