1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কয়রার ৪০ বনজিবী পেলেন নৌকা, জাল ও লাইফ জ্যাকেট । খুলনায় প্রথমবারের মতো ঘোষিত হলো “ঊষার আলো দুর্গাপূজা অ্যাওয়ার্ড- ২০২৬”। রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত।

কাঠের মই বেয়ে উঠতে হয় কোটি টাকার ব্রিজে ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২২৭ বার পঠিত

লংগদু প্রতিনিধি আরাফাত হোসেন বেলাল।

 

দীর্ঘ ৯ বছরেও ব্রিজের দুইপাশে নির্মিত হয়নি সংযোগ সড়ক। ব্রিজটি ঠায় দাঁড়িয়ে থাকলেও নেই সংযোগ সড়কের মাটি। এ কারনে কাঠের মই বেয়ে ওঠানামা করতে হয় ব্রিজে। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় স্থানীয়দের।

সংযোগ সড়কবিহীন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ ব্রিজ রাঙামাটির লংগদু উপজেলার ১ নম্বর আটারকছড়া ইউনিয়ন ও মিজান মুন্সির বাড়ির সামনের মাইনী নদীর উপর নির্মিত। ব্রিজটির দুই পাশে ৫০টি পরিবারের বসবাস। সংযোগ সড়ক না থাকায় দীর্ঘ ৯ বছর ধরে ঝুঁকি নিয়ে ৮-৯ ফুট উঁচু কাঠের মই বেয়ে ব্রিজ পারাপার হচ্ছে এসব পরিবারের সদস্যরা। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে নারী ও শিশুরা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,সারাবছর কাঠের মই বেয়েই মাথায় বা কাঁধে মালামাল বহন করে ব্রিজ পারাপার হতে হয়। তবে বর্ষা মৌসুমে মাইনী নদীতে পানি বাড়ার কারণে ব্রিজটি ব্যবহার করা যায় না। তখন নৌকায় চলাচল করতে হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে,২০১২-১৩ অর্থবছরে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় ব্রিজটি। এরপর ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও ব্রিজের দুই পাশে সংযোগ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় এর সুফল পাচ্ছে না আশপাশের মানুষ।

১ নম্বর আটারকছড়া ইউনিয়নের মেম্বার আব্দুর রহমান জানান,ব্রিজটির দুই পাশে দ্রæত সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ বরাবর বারবার আবেদন করা হয়েছে।

ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঙ্গল কান্তি চাকমা জানান,ব্রিজটি রাঙামাটি জেলা পরিষদ নির্মাণ করেছে। সংযোগ সড়ক নির্মাণের দায়িত্বও তাদেরই। তবে বর্তমানে বরাদ্দ না থাকায় সংযোগ সড়ক নির্মাণ সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি জেলা পরিষদের নজরে দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও নির্মাণ কাজ শুরু হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT