১৪ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে ৪৯,বিজিবি’র মতবিনিময় সভা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মো:সাগর হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি:-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে মাদক,নারী ও শিশু পাচার এবং চোরাচালান রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) স্থানীয় বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করে।
সোমবার(১০ ফেব্রুয়ারী/২০২০ ইং) তারিখ সকাল সাড়ে ১০টায় ৪৯, বিজিবি’র বেনাপোল কোম্পানী সদর কার্যালয়ে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: জালাল গনি খান এনডিসি,পিএসসি, রিজিয়ন কমান্ডার দক্ষিন-পশ্চিম রিজিয়ন যশোর। মতবিনিময় সভায় তাকে সহযোগীতা করেন-কর্ণেল মো: আরশাদুজ্জামান খান,সেক্টর কমান্ডার,খুলনা এবং লে,কর্ণেল মো: সেলিম রেজা,কমান্ডিং অফিসার,যশোর।
৪৯,ব্যাটালিয়নের বেনাপোল ক্যাম্প কমান্ডার এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড মেজর নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুস্ঠিত মতবিনিময় সভায় সীমান্তে চোরাচালান,মাদক,মানবপাচার সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সেখানে বিজিবি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে সাংবাদিকদের মধ্যে বিশদ আলোচনা হয়।প্রধান অতিথি সাংবাদিকদের বলেন, মাদকের পাশাপাশি গোল্ডের উপর একটা গুরুত্ব দেওয়া হয়,কারন গোল্ড হচ্ছে সোর্স অব ফান্ড,এই ফান্ডই কিন্তু মাদক কেনা-বেচার ক্ষেত্রে বড় রকমের সহায়ক ভূমিকা রাখছে।সুতরাং,মাদকের পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে গোল্ড পাচার বন্ধ করতে হবে। সেক্ষেত্রে সীমান্ত এলাকায় যারা বসবাস করেন তাদের সহযোগীতা আমাদের একান্ত প্রয়োজন। গোল্ড পাচার করে দেশের অভ্যন্তরে মাদক ঢোকানো কতটা ক্ষতিকর তা জনগনকে বোঝাতে হবে এবং তাদেরকে সচেতন করার পরামর্শ দিতে হবে,এ জন্য সাংবাদিকদের নিজ উদ্যোগে এলাকার মানুষ এবং জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে সভা-সমাবেশ করার প্রস্তাব দেন,যাতে করে মানুষ সচেতন হতে পারে।
এ ছাড়া তিনি ৪৯,ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করা সহ সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধ কার্যক্রমের অর্জিত সাফল্য তুলে ধরেন। সীমান্তের শুণ্য রেখা থেকে শুরু করে দেশের ৮ কি:মি:অভ্যন্তরে চোরাচালান অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন প্রকার মদ,গাঁজা,ফেন্সিডিল,ইয়াবা ট্যাবলেট,গরু,মটর সাইকেল,বাই সাইকেল,মোবাইল ফোন,ভারতীয় শাড়ী এবং অন্যান্য দ্রব্যাদী সহ নারী ও শিশু পাচার রোধ কল্পে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন,স্থানীয় জনসাধারন এর সাথে জনসচেতনতামূলক সভার আয়োজন এবং বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক,কোম্পানী কমান্ডার ও বিওপি কমান্ডার পর্যায়ে নিয়মিক পতাকা বৈঠক/সৌজন্য সাক্ষাত সহ দিবা-রাত্রি কালীন সমন্বিত টহল এবং অন্যান্য নিয়মিত টহল পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে।পরিশেষে,স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ,জনসাধারনের সাথে বিজিবি এবং সাংবাদিক সমাজের মধ্যে আস্থা অটুট রাখা সহ বিজিবি’র উন্নয়ন এবং চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে ইতিবাচক সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে সর্বাত্মক সহযোগীতা কামনা করেন।
সকাল সাড়ে ১০ টায় শুরু হওয়া মতবিনিময় সভা শেষ হয় বিকাল ৩ টায়।মতবিনিময় সভায় সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোল এর সকল সাংবাদিকবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন।
এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি