১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

সুনামগঞ্জের ছাতকে ভ্যাক্সিন নিশ্চিত করোনে উত্তর খুরমায় স্বাস্থ্য কর্মীদের সাথে মতবিনিময়।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সেলিম মাহবুব, ছাতকঃ

ছাতক উপজেলার উত্তর খুরমা ইউনিয়নের সাবেক ১নং ওয়ার্ডের লোকজনের মধ্যে করোনা ভ্যাক্সিন প্রদান করা হবে। ৭ আগস্ট থেকে এ কার্যক্রম শুরু হবে। ইউনিয়নের সাবেক ১ নং ওয়ার্ড বর্তমানে ১,২ ও ৩ নং ওয়ার্ডের তিনটি কেন্দ্রে মোট ১ হাজার ৮০০ জনের মধ্যে ভ্যাক্সিন প্রদান করা হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৬০০ জন করে ভ্যাক্সিন প্রদান করা হবে। ৮ আগস্ট আলমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৬০০ জনকে, ১০ আগস্ট মইশাপুর মাদরাসা কেন্দ্রে ৬০০ জনকে ও ১১ আগস্ট হাজী আব্দুল জব্বার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে আরো ৬০০ জনকে ভ্যাক্সিন প্রদান করা হবে। এ দিকে ইউনিয়নের মোহনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭ আগস্ট ভ্যাক্সিন দেয়া হবে বলে ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ জানিয়েছেন। পরবর্তীতে ইউনিয়নের অবশিষ্ট আরো ৬টি ওয়ার্ডের জনসাধারণকে করোনা ভ্যাক্সিন প্রদানের জন্য কেন্দ্র খুলে নির্দেশনা দেয়া হবে। উপজেলা হেলথ কমপ্লেক্সের ফেইসবুক পেইজে দেয়া ক্রমিক ২২,২৩,২৪ (উত্তর খুরমা ইউনিয়ন) থেকে এ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম সকাল ৯ ঘটিকা থেকে বেলা ২ ঘটিকা পর্যন্ত চলবে। ২৫ বছরসহ তদোর্ধ বয়সের ভ্যাক্সিন গ্রহিতাদের স্বাস্থ্যসুরক্ষাওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করে এবং জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে নিয়ে কেন্দ্রে যেতে হবে। উত্তর খুরমা ইউনিয়নে ভ্যাক্সিন প্রদান শতভাগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বুধবার স্বাস্থ্য কর্মীদের নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শামছুর রহমান সহ ইউনিয়নের স্বাস্থ্য কর্মী, ইউনিয়ন পরিষদ ডিজিটাল সেন্টারের পরিচালক ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি