১৭ই মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।৩রা চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

সিঙ্গাপুরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা শুরু হয়েছে। সোমবার (০৪ মার্চ) হাসপাতালে পৌঁছানোর পরপরই সেখানকার চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা শুরু হয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের উপ-দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

মঙ্গলবার (০৫ মার্চ) সকালে তিনি জানান, হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা শুরু করেছেন সেখানকার চিকিৎসকরা। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। তার (ওবায়দুল কাদের) শরীরে কিছু ইনফেকশন ও কিডনির সমস্যা পাওয়া গেছে। তবে ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন নেই।

পরীক্ষা-নিরীক্ষাগুলোর প্রতিবেদন দুপুরের পর পাওয়া যাবে জানিয়ে চিকিৎসকের বরাতে বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, প্রতিবেদন পাওয়ার পর ওবায়দুল কাদেরের পরবর্তী চিকিৎসা শুরু হবে। তবে তার অবস্থা আগের তুলনায় কিছুটা ভালো বলেও জানান তিনি। মন্ত্রীর একান্ত সচিব গৌতম চন্দ্র পালও জানিয়েছেন, ওবায়দুল কাদের আগের তুলনায় ভালো আছেন।

এদিকে সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশ দূতাবাস ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার সার্বক্ষণিক তদারকি করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও দূতাবাসের সঙ্গে তার চিকিৎসার বিষয়ে প্রতি মুহূর্তে খোঁজখবর নিচ্ছেন। মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলোজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও প্রিন্সিপাল ডক্টর ফিলিপ কোহ’র তত্ত্বাবধানে (আইসিইউ ৩০০৮) ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসা চলছে বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর পাঠানো হয়। সোমবার (০৪ মার্চ) বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা ১৫ মিনিট নাগাদ তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুর পৌঁছায়।

ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সিঙ্গাপুর গিয়েছেন তার স্ত্রী ইশরাতুন্নেসা কাদের ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) নিউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. আবু নাসের রিজভী।

সোমবার ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার জন্য ভারতের ব্যাঙ্গালুরু থেকে কলকাতা হয়ে দুপুর ১টার দিকে ঢাকায় পৌঁছান প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. দেবী শেঠী। দুপুর দেড়টার দিকে কালো রঙের একটি প্রাইভেটকারে করে বিএসএমএইউ-তে প্রবেশ করেন দেবী শেঠী। মূলত তার পরামর্শে ওবায়দুল কাদেরকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়। হাসপাতালে তিনি কাদেরের শারীরিক বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট দেখেন। এ সময় শেঠী ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রীকে বলেন, ইউ আর ভেরি লাকি।

গত রোববার (০৩ মার্চ) ভোরে ফজরের নামাজের পর হঠাৎ শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দিলে ওবায়দুল কাদেরকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয়। প্রথমে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়া হলেও পরে হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) ২ নম্বর বেডে রাখা হয় তাকে। এনজিওগ্রামে কাদেরের হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা)প্রতিনিধি ঃ

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলায় নীলাকাশ টুডের সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামানের সড়ক দূর্ঘটনায় মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুলাই) রাত সাড়ে দশটায় শ্যামনগর উপজেলা সদরের নিকবর্তী গোপালপুর সড়কে কুলখালী নামক স্থানে দূর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহতের পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায় রাত সাড়ে দশটায় নিজ বাইসাইকেল যোগে নিজ বাড়ী উপজেলার নুরনগর ইউপির নুরনগর গ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ সময় গোপালপুর মুক্তিযোদ্ধা সড়কে কুলখালী নামকস্থানে নির্মানাধীন বক্স কালভার্টের গর্তে সাইকেল সহ পড়ে যান। নির্মানাধীন বক্স কালভার্টের বাহিরে বের হওয়া লোহার রড তার মাথায় ছিদ্র হয়ে ঢুকে যেয়ে এক পাশ থেকে অপরপাশে বের হয়ে যায় পর স্থানীয়রা শ্যামনগর উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ আনিছুর রহমান মৃত বলে ঘোষণা করেন।

শ্যামনগর প্রেসকাবের সাবেক সভাপতি আকবর কবীর বলেন কিছুদিন পূর্বে এই বক্স কালভার্ট তৈরী করতে যেয়ে একই সড়কে মোমিন মল্লিক নামে এক শ্রমিক মারা যান। তিনি আরও বলেন  নির্মানাধীন বক্স কালভার্টের  ঠিকাদার হিসাবে কাজ করছেন এস এম আবুল বাসার।

নীলাকাশ টুডের সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামানের মৃত্যুতে গভীর ভাবে শোক প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের এমপি এস এম আতাউল হক দোলন, শ্যামনগর উপজেলা প্রেসকাবের আহবায়ক শেখ আফজালুর রহমান সহ সকল সাংবাদিকবৃন্দ, সুন্দরবন প্রেসকাবের সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ।

ছবি- নিহত নীলাকাশ টুডের সম্পাদক মোঃ নুরুজ্জামান।

রনজিৎ বর্মন
তাং-২৭.৭.২৪

নীলাকাশ টুডের সম্পাদক নুরুজ্জামান সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত।