২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ, কেশবপুরে প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে মামলা করে বাদীর পরিবার নিরাপত্তাহীন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আজিজুর রহমান,কেশবপুর (যশোর)প্রতিনিধি:

কেশবপুরে বসতভিটার পানি সরানো নিয়ে বিরোধে প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে মামলা করে বাদী ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে কেশবপুর প্রেসক্লাবে উপজেলার সাগরদত্তকাটি গ্রামের পার্বতী মন্ডল কেশবপুর প্রেসক্লাবে হাজির হয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি বলেন, আমাদের বসত বাড়িতে যাতায়াতের রাস্তার ধারে জমে থাকা বৃষ্টির পানি সরানোকে কেন্দ্র করে এলাকার প্রভাবশালী সুকুমার জোয়াদ্দারের সাথে আমার কথা কাটাকাটি হয়। এরই সূত্র ধরে গত ২১ জুলাই সকালে সুকুমার জোয়াদ্দারের ছেলে সুজিত জোয়াদ্দার, সুকান্ত জোয়াদ্দারসহ ৪/৫ জন যুবক আমার বসতভিটায় অনধিকার প্রবেশ করে আমাকে ও আমার স্বামী ভীম মন্ডলকে অশ্লীল ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে।ওই সময় আমার স্বামী প্রতিবাদ করলে সকল বিবাদী একত্রিত হয়ে বাঁশের লাঠি, সাবল দিয়ে আমাকে ও আমার স্বামীকে এলোপাতাড়িভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফুলা জখম করে। এরই মধ্যে সুজিত জোয়াদ্দার তার হাতে থাকা দাড়ো কোদাল দিয়ে আমিসহ আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ দিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে।এ ঘটনায় আমি বাদি হয়ে উপরোক্ত বিবাদীদের আসামী করে ৪৪৭/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৫০৬ ধারায় কেশবপুর থানায় মামলা করি। যার নং- ১৩, তাং- ২৫.০৭.২১। পুলিশ ৩ আসামীকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।এরমধ্যে সুজিত জোয়াদ্দার জেলহাজতে থাকলেও অন্য আসামীরা জামিনে মুক্ত হয়ে আমাকে ও আমার পরিবারকে আদালত থেকে মামলা তুলে নেয়াসহ স্বাক্ষীদের প্রকাশ্যে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। মামলা তুলে না নিলে উক্ত বিবাদীরা হাত, পা কেটে নেয়াসহ গ্রামছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে। যে কারণে আমি জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে গত ৩০ জুলাই কেশবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেছি। যার নং- ১২৯৮, তাং-৩০/০৭/২০২১।তিনি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কতৃৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, দয়াল মন্ডল, নারায়ন মন্ডল, ভীম মন্ডল, যুধিষ্টি মন্ডল প্রমুখ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি