২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

শালিখায় আলামিন প্লাইউড ইন্ডা: লি: এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি:

মাগুরার শালিখা উপজেলার শতখালী ইউনিয়নের আলামিন প্লাইউড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৮ টায় এ ঘটনাটি ঘটে। এতে করে ডোর উৎপাদন ইউনিটের থার্নিক অয়েলের ৩৫ টি ড্রাম, ডোর উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত ১০ টি মেশিন, ৫০ টি মটর, এছাড়াও ডোর উৎপাদনের জন্য সংরক্ষিত বিভিন্ন সরঞ্জাম পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানান ইন্ডাস্ট্রিয়াসের ডোর উৎপাদন কর্মকর্তা মাসুদ রানা। ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে ৯৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন আলামিন প্লাইউড ইন্ডা: লি এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ২ ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। মাগুরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা সোহাগ উজ্জামান জামান, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের উৎপত্তি হয়ে পরে ডোর ইউনিটে ছড়িয়ে পড়ে। তবে ক্ষতির পরিমাণ কত হয়েছে তা তদন্ত না করে বলা যাবে না। এ ব্যাপারে শালিখা থানা অফিসার ইনচার্জ হোসেন আল মাহামুব বলেন, ঘটনাটি শোনামাত্রই তিনিসহ পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া তিনি আরও বলেন প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।

 

মোঃ সাইফুল ইসলাম

শালিখা মাগুরা

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি