২৩শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

রাজস্থলী তে অন্ধ বৃদ্ধ অসহায় জলিলের প্রধানমন্ত্রী উপহার দেয়া ঘর মিলেনি”।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাজস্থলী(রাঙামাটি) প্রতিনিধিঃ

 

রাঙামাটি জেলা রাজস্থলী উপজেলার ৩নং বাঙালহালিয়া ইউনিয়নের অর্ন্তগত শফিপুর মুন্সি পাড়া গ্রামের অধীবাসী অসহায় এক পরিবার মোঃ আব্দুল জলিল( ৭৫) দীর্ঘদিন ধরে অনেক কষ্ট জীবন মধ্যে দিয়ে কোন রকম একটি কুঁড়ে ঘরে বসবাস দিন পাড় করছে,তার সম্পত্তি বলতে কিছু নেই একটি মাত্র বেড়াকুঁড়ে ঘর, সেই বেড়া কুঁড়েঘরেই একা দীর্ঘদিন ধরে বসত করছেন এই বৃদ্ধ মোঃ আবদুল জলিল। আবদুল জলিল বলেন,পূর্বে ১২ বছর আগে নিয়মিত চোখের চিকিৎসা অভাবে চোখ হারান, এখন প্রায় ১৩ বছর ধরে দুচোখ অন্ধ জীবন নিয়ে কস্টের মধ্যে বেঁচে আছি। এই বৃদ্ধ পুরুষ পাশে আছেন তার মেঝ মেয়ে দেখাশোনা করছে,কিন্তু বর্ষা মৌসুমে রোদ বৃষ্টি ঝড়ে বাবা খোলা আকাশের দিকে তাকিয়ে ঈশ্বর বা আল্লাহর নিকট প্রার্থণা করেন কবে কখন আল্লাহ আমাকে সুন্দর একটি থাকার ব্যবস্থা ঘর করে দিবেন,কখন মোঃ আবদুল জলিল সুখে থাকা পরিবর্তনমুখ দেখব, সে অসহায়ত্বের দুঃখের দূরদর্শা পরিত্রাণ পেতে পারি। এদেশের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কি সেই অসহায় বৃদ্ধ অ ন্ধ পুরুষ করুন দুঃখের কান্না কি শুনতে পাবেন,বিভিন্ন কথা অকপটে বলে ফেললেন মোঃ আবদুল জলিল মেয়ে,জেসমিন গণমাধ্যম কে আরো বলেন আমি যখন যা পাই তাই করি দিন মজুরী দিনে আনে দিনে খায়, আমরা আমাদের সংসার চালাই, এতে বাবাকে ভরণ পোষণ করতে হয়। বৈসিক মহামারী করোনা চলাকালীন সরকারী কোন ত্রাণ সুযোগ-সুবিধা আমরা পাচ্ছি না,বাবার নামে ঘর আসলে ও সেই ঘরে পাচ্ছে পয়সাওয়ালা ও নেতাদের লোক নিকট আত্মীয়স্বজন এরা, আমরা তো ত্রিশ / পঞ্চাশ হাজার টাকা দিতে পারিনা, তাই গৃহহীন ঘর পাইনা।তার নিকট এই প্রতিনিধি প্রশ্ন করেন সরকার কি আপনাদের কাছ হতে ঘরের জন্য টাকা চেয়েছে তিনি বলেন সরকার / প্রশাসন কখনো টাকা নেয়না উনারা গরীবকে দেয় গরীবদেরকে সাহায্য করে।আমরা অনেকবার স্থানীয় মে ম্বার জনপ্রতিনিধির নিকট বার বার গিয়েছি এরা আমাদের কথা শুনেনা পাত্তা দেইনা, যদিও বা শুনেন পরে দেখা করেন বলে বিদায় করে দেয়। স্থানীয় বাসিন্দা সুশীল সমাজ মনে করেন অতিসত্বর উক্ত দুচোখ অন্ধ মোঃ আবদুল জলিল পাশে সরকার বিনয়ে দাঁড়ানো উচিত পাশাপাশি স্থানীয় নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিগণ কে আইনের আওতায় আনা উচিত কারণ এখনো কাজে সরকার প্রধানের উপর অনেক মানুষের ধ্যান্ত ভুল ধারণা চলে আসে। সে অসহায় গরীব বৃদ্ধ সরকারী সকল সুযোগ সুবিধা পাওয়ার জন্য স্থানীয় জেলা প্রশাসকের নিকট দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার স্থানীয় সচেতন মহলবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।