২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

মুহুরী প্রজেক্টে রাস্তা দখলের অভিযোগ; পরিদর্শন করেন পাউবো কর্মকর্তা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিজস্ব প্রতিনিধি :-

 

মুহুরী প্রজেক্ট সংলগ্ন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাস্তা (সোনাগাজী মুহুরী প্রজেক্ট রোড়ের সাথে একরাম বেড়ীবাঁধ সংযোগ সড়ক) মেজর (অবঃ) সোলেমান কর্তৃক দখল চেষ্টার প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও আবেদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নুরনবী সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা ও সাংবাদিক বৃন্দ ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেলে সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

 

পরিদর্শনের সময় স্থানীয় কৃষক সফিউল্লাহ, হোসেন আহমদ, নাছির উদ্দিন, জয়নাল আবেদীন, মাসুদ, মিলন সহ স্থানীয় লোকজন জানান- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন এই সড়ক দিয়ে দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর ধরে স্থানীয় কৃষকগোষ্ঠী চলাফেরা করেন ও তাদের জমিতে উৎপন্ন ফসলাদি আনা-নেওয়া করে থাকেন। স্থানীয় মেজর (অবঃ) সোলেমান নামে প্রভাবশালী এক ব্যক্তি উক্ত রাস্তায় ২টি লোহার গেট লাগিয়ে সর্বসাধারণের চলাচল বাধাগ্রস্ত করছেন। এবং রাস্তার পাশে গাছ লাগিয়ে রাস্তার পুর্ব মাথায় আরও একটি গেইট লাগানোর পায়তারা করছেন। তারা লোহার গেইট অপসারণ করে রাস্তাটি সর্বসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করে দেওয়ার জোর দাবি জানান।

 

 

স্থানীয় ডাক্তার বাড়ীর অধিবাসী ইব্রাহিম, নজরুল ও কেফায়েত জানান- সোলেমান সাহেব নিজেকে মেজর পরিচয় দিয়ে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে আমাদের চলাচলপথ বন্ধকরে, পারিবারিক কবরস্থান ও বাগান দখলের পায়তারা করছেন। আমরা অবিলম্বে লোহার গেইট অপসারণ করে রাস্তাটি চলাচলের জন্য উম্মুক্ত রাখার দাবি জানাই।

 

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা নুরনবী জানান- রাস্তা সকলের চলাচলের জন্য উম্মুক্ত থাকবে সেটা কাউকে ইজারা দেওয়া হবেনা। দখল পজিশনের ব্যাঘাত না ঘটিয়ে রাস্তার পাশের অংশ যে দখলে আছে সে ইজারা নিয়ে গাছপালা লাগিয়ে পরিচর্যা করতে পারবেন।

 

 

সরেজমিন পরিদর্শন কালে সাংবাদিকগণ উক্ত রাস্তায় দুটো লোহার গেইট দেখতে পান এবং গেটে লেখা জৈব নিরাপত্তা এলাকা, সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষেধ, কুকুর হইতে সাবধান।

 

 

অভিযোগ প্রসঙ্গে মেজর (অবঃ) সোলেমান রাস্তা দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- কাউকে উক্ত পথে চলাচলে বাধা দেওয়া হবেনা। তবে তিনি রাস্তায় নির্মিত গেইট অপসারণ করতে রাজি হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি