১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

মাধবপুরে দুর্গাপূজায় থানা পুলিশের ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মাধবপুর প্রতিনিধি ।।দুর্গাপূজাকে উৎসব মুখর পরিবেশে উদযানের লক্ষে মাধবপুর থানা পুলিশ ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহন করেছে।এর মধ্যে ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১১৯টি পুজামন্ডবে দুর্গাপূজা অনুষ্টিত হবে।পুজাকে সামনে রেখে মাধবপুর থানা পুলিশ পুজা কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারিদের থানায় বিশেষ পরামর্শ ও মতবিনিময় সভা করেছে।এছাড়া প্রতিদিন সার্কেল এএসপি নাজিম উদ্দিন ও ওসি কেএম আজমিরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ প্রতিটি পুজা মন্ডপ পরিদর্শন ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে।ওসি আজমিরুজ্জামান জানান,যাতে মাধবপুরে আনন্দ উৎসবের মাঝে দুর্গাপূজা অনুষ্টিত হয় সে জন্য পুলিশ সব রকম নিরাপত্তা গ্রহন করছে।এবার মন্ডপে ডিজে বন্ধ থাকবে এবং নেশা জাতীয় কোন কিছু পান করে পুজা মন্ডপে যাওয়া নিষেধ এবং যে কেউ বিশৃঙ্খলা করলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী তা কঠোর হস্তে দমন করবে।প্রতিটি পুজা মন্ডপে পুলিশের সব কর্মকর্তার নাম সহ মোবাইল নম্বর টানানো থাকবে যে কেউ কোন সমস্যা হলে তাৎক্ষনিক জানাতে পারবেন এবং সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়া হবে।এ ব্যপারে তিনি সাংবাদিক সহ সবার সহযোগীতা কামনা করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি