২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

মাধবপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা তাশনূভা নাশতারাণ এর সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা ইশতিয়াক মামুন ও প্রানীজ সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মিজানুর রহমান।

বক্তারা বলেন, প্রবাসীরা দেশে আসলে ১৪ দিন কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক। পরিবারের স্বার্থে, সমাজের স্বার্থে সর্বোপুরি দেশের স্বার্থে সবাইকে এ ভাইরাস প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাশনূভা নাশতারাণ সাংবাদিক ও জনপ্রতিনিধিদের যার যার অবস্থান থেকে সচেতন করার আহবান জানান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ইশতিয়াক মামুন বলেন,মাধবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৮টি শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসার সু-ব্যবস্থা রয়েছে।

সভায় উপস্থিত ছিলেন অফিসার ইনচার্জ তদন্ত দস্তগীর আহম্মদ,শিক্ষা কর্মকতা দ্বিজেন্দ্র আচার্য্য,বি আর ডিবি কর্মকতা মশিউর রহমান,সমাজ সেবা কর্মকর্তা সোলায়মান মজুমদার,খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আবুল হোসেন,মহিলা বিষয়ক কর্মকতা জান্নাত সুলতানা, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল হোসেন,চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম,সৈয়দ জাভেদ,মোস্তাক আহম্মদ হেলাল,শহীদ উদ্দীন চৌধুরী,তৌফিকুল আলম চৌধুরী ফারুখ পাঠান। আমার বাড়ি আমার খামারের সমন্বয়ক পারভীন আক্তার,তথ্য সেবা কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা,শ্রীধাম দাশ গুপ্ত,মিজানুর রহমান।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি