১৩ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বৃহস্পতিবার

মধ্যপ্রাচ্যে নারীকর্মী পাঠানো নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে: পরিকল্পনামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সোনাই নিউজ:নির্যাতনের অভিযোগ থাকায় ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে নারী শ্রমিক পাঠানো হবে কি-না, সে বিষয়ে সরকার নতুন করে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, নির্যাতনের বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর ও অমানবিক। এটি মেনে নেওয়া যায় না। এ কারণে বাস্তবতার আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

শনিবার বাংলাদেশ চলচিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এসব কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর সরকারিভাবে এক লাখ এক হাজার নারীকর্মী মধ্যপ্রচ্যের বিভিন্ন দেশে যান। এর মধ্যে ৭৩ হাজার গেছেন সৌদি আরবে। যৌন ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে দূতাবাসের মাধ্যমে সৌদি আরব থেকে থেকে ফেরত এসেছেন এক হাজার ২৩৪ জন।

এ ছাড়া নিজ উদ্যোগেও অনেক নারীকর্মী দেশে ফেরত আসেন বলে জানা গেছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সরকার বিদেশ গমনে ইচ্ছুক ও প্রবাসীদের কল্যাণে নানামুখী উদ্যোগ নিলেও দূতাবাসগুলো অভিবাসীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা দিচ্ছে না। দূতাবাসগুলোকে আরও অভিবাসীবান্ধব হতে হবে। একইসঙ্গে প্রবাসীদের সেবা দিতে দূতাবাসগুলোর সহায়ক ডেস্ক ২৪ ঘণ্টা চালু করা উচিত। দূতাবাসে কর্মরতদের আরও বেশি সেবামূলক মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, প্রশিক্ষিত ও দক্ষ কর্মী পাঠানোর ওপর জোর দিতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, তৈরি পোশাক, চামড়া, ওষুধ শিল্প ইত্যাদি খাতের মতো বড় কোনো অর্থনৈতিক বিনিয়োগ ছাড়াই অভিবাসন খাত থেকেক প্রতিবছর ১৩-১৪ বিলিয়ন ডলার আয় হচ্ছে। নতুন বাজার তৈরি করতে অভিবাসন কূটনীতি আরও জোরদার করতে হবে।

প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি বিজয়ী হয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি