২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

ভারতের অন্ধপ্রদেশে পুলিশের কাছে ধরা পড়া ২৪ যুবক দেশে ফিরলো

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ সাগর হোসেন, বেনাপোল(যশোর) প্রতিনিধিঃ
ভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচার হওয়া ২৪ যুবক বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরেছে। শুক্রবার বেলা ১১ টার সময় ভারতীয় পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করে।

ফেরত আসা যুবকরা হলোঃ- খুলনা জেলার জাফর চৌধুরীর ছেলে জুয়েল চৌধুরী (২৩) মাজেদুল ইসলামের ছেলে সফিকুল ইসলাম (৩৩) বরকত শেখের ছেলে তরিকুল ইসলাম (২৩) আমিন সরদারের ছেলে লিটন মোহাম্মাদ (২৮) শাহাদতের ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৬) আব্দুল ছত্তার খানের ছেলে বাবু খান (২৭) রফিকুল ইসলামের ছেলে রিফাত খান (২২) রেজাউল ইসলামের ছেলে সাগর হোসেন (২৪) আখতার খানের ছেলে রাকিব খান (২৪) রেজাউল শেখের ছেলে হাসান শেখ (২২) জাহাঙ্গীর হাওলাদারের ছেলে রনি হাওলাদার (২৩) যশোর জেলার আমজাদ হোসেনের ছেলে সাজ্জাদ মোল্যা (২৬) আব্দুল হোসেনের ছেলে জামাল মোল্যা (২৪) জহুর আলী সরদারের ছেলে নজরুল ইসলাম (২৩) গফফার গাজির ছেলে ইমাম হোসেন (২২) আবুল হোসেনের ছেলের আল- আমিন (২৩) হাবিবুর রহমানের ছেলে সাদ্দাম বেপারী (২৮) আব্দুল খায়েরের ছেলে আলামিন (২৫) মহাসিন সেখের ছেলে রাজিব শেখ (২০) আবুল খালেকের ছেলে সাব্বির হোসেন (২২) আলমগীর মোলার ছেলে আশরাফ হোসেন (২৫) বাগেরহাট জেলার মহিমুদ এর ছেলে নুর ইসলাম, (৪৬) আছাদ এর ছেলে সিরাজুল ইসলাম (৪৬) সাতক্ষীরা জেলার সবেদ আলীর ছেলে আব্দুল গনি (৩৮)।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন এর এস আই আব্দুর রহমান বলেন, এরা গত তিন বছর আগে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতের অন্ধপ্রদেশে যায়। সেখানে রাজমিস্ত্রী, রংমিস্ত্রির কাজ করার সময় সেদেশের পুলিশের কাছে ধরা পড়ে আদালতের মাধ্যমে ২- ৩ বছর অন্ধপ্রদেশের ভিজলুর কর্নেটো জেল খানায় থাকে। পরে দ’ুদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ে চিঠি চালাচালির এক পর্যায়ে বিশেষ ট্রভেলস পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরত আসে।

যশোর রাইটস নামে বেসরকারী একটি এনজিওর এরিয়া কোয়ার্ডিনেটর তৌফিকুজ্জামান বলেন ফেরত আসাদের ইমিগ্রেশন ও বেনাপোল পোর্ট থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষে যশোর তাদের অফিসে নেওয়া হবে। এরপর তাদের পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে তাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। যদি এরা পাচারকারী দালালদের নামে মামলা করতে চান তবে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি