১৬ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

বকশীগঞ্জ ইউএনও মুন মুন জাহান লিজাকে নিয়ে রশিটানাটানি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

বকশীগঞ্জ(জামালপুর)প্­রতিনিধি :

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিয়োগ না দিয়ে হঠাৎ করে স্ট্যান্ড রিলিজ করায় বিপাকে পড়েছে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মানুষ।এদিকে বকশীগঞ্জের ইউএনওকে দেওয়ানগঞ্জে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ায় কর্মস্থলে অনুপস্থিতের কারণে ভোগান্তিতে রয়েছে বকশীগঞ্জের মানুষ।

জানা যায়, ৭ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করেই স্ট্যান্ড রিলিজ করে দেওয়ানগঞ্জের ইউএনও এ.কে.এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদকে। এরপর থেকে দেওয়ানগঞ্জ প্রশাসনিক শুন্যতা বিরাজ করে।পরবর্তীকালে বকশীগঞ্জের ইউএনও মুনমুন জাহান লিজাকে দেওয়ানগঞ্জের ইউএনও হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ায় মুনমুন জাহান লিজা বেশিরভাগ সময়ই বকশীগঞ্জ কর্মস্থলে অনুস্থিত থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে বকশীগঞ্জের মানুষ।দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জের মধ্যে দূরুত্ব ১৭ কিলোমিটার হলেও অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে দুই উপজেলায় যাতায়াতে সময় ব্যয় হয় ঘণ্টারও বেশি।আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস, জলাতঙ্ক দিবস, ভোক্তা অধিকার দিবসসহ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভায় বকশীগঞ্জের মুনমুন জাহান লিজার অনুপস্থিতেই করা হয়েছে। এছাড়া কন্যা দিবসে বকশীগঞ্জে শুধু ফটোসেশন করেই এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় দৌড়াদৌড়ি ইউএনও লিজাকে।এদিকে দেওয়ানগঞ্জে গুরুত্বপূর্ণ সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদটিও দীর্ঘদিন শুন্য থাকায় কার্যত প্রশাসনিক শুন্যতা বিরাজ করছে দেওয়ানগঞ্জে।

এ বিষয়ে জামালপুর জেলা প্রশাসক মুর্শেদা জামান জানান, দেওয়ানগঞ্জে বর্তমানে শেরপুর সদর উপজেলায় কর্মরত শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফিরোজ আল মামুনকে বদলি করা হয়েছে।

এই বদলি আদেশ কার্যকর হলে এই সমস্যা সমাধান হবে।

 

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি