২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নিয়ামতপুরে সিরিজ বোমা হামলার ১৬ বছর উপলক্ষে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিয়ামতপুরে সিরিজ বোমা হামলার ১৬ বছর উপলক্ষে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মো নাহিদ হাসান নিয়ামতপুর নওগাঁ প্রতিনিধি।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বিএনপি জামাতের যোগসাজশে জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জেএমবি কতৃক দেশের ৬৩ টি জেলার ৫ শতাধিক স্থানে ঘৃণ্য ও নারকীয় সিরিজ বোমা হামলার প্রতিবাদে নওগাঁ নিয়ামতপুর উপজেলার আজ সকালে প্রতিবাদ সভা পালন করেছে উপজেলা আওয়ামিলীগ এর নেতা, কর্মীরা।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলা
আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের কর্মীদের নিয়ে এই একর্মসূচি পালন করে উপজেলা আওয়ামিলীগ এর নেতারা ।

উক্ত কর্মসূচিতে নিয়ামতপুর উপজেলার আওয়ামিলীগ এর সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বিপ্লব,সহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সভাপতির বক্তব্যে আবুল কালাম আজাদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ জঙ্গিবাদ মুক্ত হয়েছে। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে ধ্বংস করতেই বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে এই হামলা চালানো হয়েছিল। ‘১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা করেছিল তাদের দোসর বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে বারবার মাথা চাড়া দিচ্ছে। তাদের প্রতিহত করতে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। হামলাকারী পলাতক জঙ্গীদের ও এই হামলায় মদদ প্রদানকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান বিপ্লব বলেন, ‘বিগত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলেই বাংলাদেশে জঙ্গিদের উত্থান ঘটে। তারাই জঙ্গিদের লালন-পালন করে আসছে। ২০০৫ সালে দেশের ৬৩ জেলা ৫০০ টি পয়েন্টে বোমা হামলা চালিয়েছিল নিষিদ্ধ জঙ্গী সংগঠন জেএমবি। ধিক্কার জানাই সেই জেএমবির মদদদাতা বিএনপি জোট সরকারের প্রতি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি