২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

নাসিম ফাউন্ডেশন’র উদ্যোগে কাজিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ অক্সিজেন কনসেনস্ট্রেটর প্রদান।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃশফিকুল ইসলাম, কাজিপুর প্রতিনিধিঃ

মহামারি করোনা দেশজুড়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে সাধারন মানুষের জীবন ও জীবিকা সংকটাপন্ন। একের পর এক শনাক্ত ও প্রাণহানির রেকর্ড গড়ছে।

 

ঠিক সেই মুহূর্তে বিশ্ব মানবতার জননী সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রি শেখ হাসিনার নির্দেশানুযায়ী মানবতার সেবায় নিবেদিত প্রয়াত জননেতা মোহাম্মদ নাসিমের স্মরণে গঠিত আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে প্রকৌশলী তানভীর শাকিল জয় এমপি’র নির্দেশক্রমে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে, করোনা রোগীর অক্সিজেন চাহিদা মেটাতে অক্সিজেন কনসেনস্ট্রেটর প্রদান করেন আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম ফাউন্ডেশন।

 

রবিবার ০১/৮/২০২১ দুপুরে এমপি তানভীর শাকিল জয়ের নির্দেশক্রমে এবং আলহাজ্ব মোহাম্মদ নাসিম ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় কাজিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পা কর্মকর্তা ডাঃ মোমেনা পারভীন পারুলের নিকট এই মেশিন হস্তান্তর করা হয়।

 

 

 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কাজিপুর উপজেলা চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান সিরাজী,উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাহিদ হাসান সিদ্দিকী, উপজেলা আঃলীগের সভাপতি শওকত হোসেন, আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার দেবব্রত রায়, মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার শাহিনুর আলম সবুজ, ডাক্তার কামরুল ইসলাম, উপজেলা ছাএলীগের সভাপতি রাজু আহমেদ, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ আহমেদ প্রমুখ। এ অক্সিজেন মেশিন উপহার দেওয়ার জন্য এমপি জয় মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে কাজিপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রের স্বাস্থ্য ও পঃপঃকর্তা ডাক্তার মোমেনা পারভীন জানান , দিন দিন করোনা সংক্রামন বাড়ছে। এই মুহূর্তে কাজিপুরের করোনারোগিদের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। করোনারোগিদের এখন থেকে অক্সিজেন চাহিদা মেটাতে এটা সহায়তা করবে। বিদেশি তৈরি এ অক্সিজেন কনসেনস্ট্রেটর নিজে নিজেই পানির মাধ্যমে অক্সিজেন তৈরি করবে এবং রোগীরা তা ব্যবহার করতে পারবে। মানুষের জীবন বাঁচাতে এ উপহার সহায়তা করবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি