২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

নবীগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে ১৪ টি মামলায় ২০ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

স্বপন রবি দাশ, নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) থেকেঃ

দেশে করোনার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিনই ক্রমশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই সাধারণ মানুষের মধ্যে। এ অবস্থায় করোনা সংক্রমন রোধের লক্ষে দেশে লকডাউন জারি করেছে সরকার। এবার ও সারাদেশের ন্যায় নবীগঞ্জে কঠোর লকডাউনে নবীগঞ্জ উপজেলায় সরকারি বিধি নিষেধ কার্যকর করতে উপজেলা প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর টহল রয়েছে। এ সময় সরকারি বিধি নিষেধ অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা ও মাস্ক পরিধান না করায় অর্থদন্ড- করা হয়েছে। আজ সোমবার (৩রা আগষ্ট) সকাল থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার দাশের নেতৃত্বে ও সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এ.এস.এম শিহাবুজ্জামান সহকারে একদল সেনা সদস্যের সহযোগিতায়। নবীগঞ্জ পৌর এলাকার বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সরকার নির্ধারিত কঠোর বিধিনিষেধ অমান্য করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা, অকারণে বাইরে ঘুরাফেরা করা এবং মাস্ক না পড়াসহ বিভিন্ন অপরাধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৮,২৬৯ এবং সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রণ ও নির্মুল) আইন ২০১৮ অনুযায়ী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ১৪টি মামলা ২০ হাজার ৫০০ শত টাকা জরিমানা করেন।

তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার উত্তম কুমার দাশ অভিযান নিশ্চিত করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি