২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ধামইরহাটে এক সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ অসহায় একটি পরিবার  ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সন্তোষ কুমার সাহা,ধামইরহাট(নওগাঁ)প্রতিনিধিঃ

 

নওগাঁর ধামইরহাটের অসহায় এক ব্যক্তির খলিয়ান দখল নিতে ব্যর্থ হলে ৭ দিন যাবত অবরুদ্ধ করে রেখেছেন প্রভাবশালী একটি মহল। গ্রামের কয়েকটি পরিবারের মানুষ ওই রাস্তা দিয়ে মসজিদে যাতায়াত করেন। অবরুদ্ধ পরিবেশে অস্থিরতা প্রকাশ করছেন লোকজন। অবরুদ্ধ পরিবার স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের নিকট সুষ্ট বিচার না পেয়ে মানবেতর বন্দি জীবন যাপন করছেন। ভুক্তভোগী পরিবার এ ব্যাপারে ধামইরহাট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। থানায় লিখিত অভিযোগ সূত্র জানা যায়, উপজেলার খেলনা ইউনিয়নের রসপুর গ্রামে মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে ইকবাল হোসেন তার বাড়ীতে দীর্ঘ ৩ যুগ ধরে বসবাস করে আসছেন এবং ওই বাড়ীর খলিয়ান দিয়ে প্রতিবেশীরা যাতায়াত করে।

সম্প্রতি প্রভাবশালী আহাদ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী গং অসহায় কৃষক ইকবাল হোসেনের খলিয়ান দখল করে রাস্তা তৈরীর জন্য ইটের খোয়া বিছিয়ে দখলের চেষ্টা করলে ইকবাল হোসেন নিষেধ করে এবং বাঁধা দেয়। এতে মোহাম্মদ আলী গং ক্ষিপ্ত হয়ে ইকবাল হোসেনের বাড়ীর চারিধারে বাঁশ-খুটির বেঁড়া দিয়ে তাঁর পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। ইকবালের ছেলে শাকিল হোসেন বাহির থেকে বাড়ীতে প্রবেশ করতে চাইলে সন্ত্রাসী ওসমান, রোমান, নুর আলমসহ মোহাম্মদ আলীর লাঠিয়াল বাহীনি শাকিলকে ধাওয়া করে। এ ব্যাপারে মোহাম্মদ আলী বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যায় এবং তিনি বলেন,‘আমার পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত নিজ জমি বেড়া দিয়ে ঘিরে রেখেছি, ইকবালের পরিবারকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগটি মিথ্যে। স্থানীয় খেলনা ইউপি সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, একটি বাড়ীর চার দিক বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখা ঠিক হয়নি। বর্তমান ওই পরিবারটি অবরুদ্ধ প্রায়।

বাড়ী অবরুদ্ধ রাখার বিষয়ে প্রতিবাদ করেন প্রতিবেশী রহিম বক্স।

এ বিষয়ে ৮ আগস্ট রাতে ইকবাল থানায় অভিযোগ করলে এ.এসআই শাজাহান আলী বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উর্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়ে আইনের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি