২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

দাও-নাই-কেন ” ?

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

  • মুফিজুল হক চৌধুরী,
  • মার ঘরে আমি মেম্বার,আমার বৌ চেয়ারম্যান;হায়! আমি বিয়া করলাম ক্যান?আমি বিয়া করলাম ক্যান ? শিল্পী নকুল কুমার বিশ্বাসের গাওয়া গানের মাধ্যমে সংসারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে ৷বিয়ে নতুন নতুন সবার কাছে “মধুরেণ সমপায়েৎ” ৷ তা এক-দু বছর মাত্র , তারপর বেরোতে থাকে “থলের বিড়াল” !

আমার আলোচনার শিরোনামে তিনটি শব্দ-‘দাও, নাই,কেন ‘ ,বিষয়টা নিয়ে একটু আলোকপাত করা যাক …
“দাও ”
বিয়ের প্রথম বছর-গাড়ি দাও, বাড়ি দাও, শাড়ি দাও,গয়না দাও, কসমেটিকস দাও, বাজার দাও, বেড়াতে যাওয়ার, হানিমুনের টাকা দাও, ইত্যাদি হাজারো দাও দাও । বৌয়ের এই হাজারো দাও দাও মেটাতে স্বামি বেচারার নাভিঃশ্বাস চরমে !
“নাই ”
বিয়ের দ্বিতীয় বছর – তেল নাই, নুন নাই, বাজার নাই, বাচ্চার দুধ নাই, ফ্রিজে মাছ-মাংশ নাই, অথিতির জন্য নাস্তা নাই, জামাকাপড় নাই, স্কুলের বেতন, বাচ্চার বই, প্রাইভেটের টাকা, ইত্যাদি হাজারো নাই শব্দ, আপনাকে গৃহে প্রবেশ করার পর থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত গিন্নির মুখ থেকে শুনতে হবে !
” কেন ”
বিয়ের তৃতীয় বছর-বাজার সদাই আনলেনা কেন, ওখানে গেলে কেন, ওদিকে তাকালে কেন, তোমার ভাই-বোনকে এটা ওটা দিলে কেন, আমার ভাইবোনকে এটা ওটা দিলে না কেন, কথা যেটা বলি সেটা শুন না কেন, সর্বোপরি এত কিছু দিবার যোগ্যতা না থাকলে বিয়ে করলে কেন ? ইত্যাদি লক্ষ-কোটি কেন দিয়ে সাজানো বৌয়ের শ্রুতি মধুর কথা মালা !
বেশির ভাগ সংসারের এই হাল ৷ নারী জাতি বরাবরই অবুঝ ৷কেউ না বুঝে বুঝে না ,আর কেউ বুঝে ও বুঝে না ৷ প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ আলফ্রেড মার্শাল এর সংজ্ঞা অনুযায়ি -” অভাব অফুরন্ত, সে তুলনায় সম্পদ শোচনীয়ভাবে সিমাবদ্ধ ; এই সিমাবদ্ধ সম্পদ দিয়ে সীমাহীন অভাব মোচনের প্রচেষ্টাকে অর্থনীতি বলে ৷” কিন্তু বৌয়েরা সেটা বুঝতে চায় না ৷স্বামির সামর্থ্য থাক বা না থাক, বিয়ে করেছো কেন ? সুতরাং আমি যা চাই তা-ই দিতে হবে ৷ না হলে সংসারে অশান্তি ৷ সংসারের সবদিক সামাল দিতে একজন স্বামির কী যে ত্রাহি মধুসুদন অবস্থা সেটা ভুক্তভোগি মাত্রই জানে । কিন্তু বৌয়েরা সেটা জানতে মোটে ও আগ্রহী নয় ৷
স্বামির আয় কত ? সংসারের ব্যয় কত ? ক্রমবর্ধমান সংসার খরচের যোগান দিতে স্বামি বেচারার প্রাণ ওষ্ঠাগত , কিন্তু সেদিকে অধিকাংশ স্ত্রীর দৃষ্টি নেই ৷ শুধু -“দাও-নাই- কেন ” এই তিনটি শব্দ তাদের মাথার ভিতর ঘুরপাক খেতে থাকে ৷ হে মহান প্রভু !তুমি এই অবুঝ , নির্দয়, অবিবেচক, অপরিনামদর্শি ,বাস্তববুদ্ধিহীন স্ত্রীদের সহীহ তথা সঠিক বুঝ দান করুন…!!

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি