১৫ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১লা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

ড. মানিক লাল দেওয়ান আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি:

রাঙ্গামাটি পাবর্ত্য জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মানিক লাল দেওয়ান আর নেই, চলে গেলেন না ফেরার দেশে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম সার্জিস্কোপ হসপিটালে ব্রেনস্ট্রোকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর।

ড. মানিক লাল দেওয়ানের কন্যা ঝুমা দেওয়ান জানান, তার বাবা বুধবার হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল সে অবস্থায় রাঙ্গামাটি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে সেখানে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। পরে উন্নতি না হওয়ায় চট্রগ্রামের বেসরকারী ক্লিনিক সার্জিস্কোপ হসপিটালে ভর্তি করা হয়। সেখানে গতকাল সকালে ব্রেনস্ট্রোক করে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ও উচ্চ শিক্ষিত চেয়ারম্যান ছিলেন ড. মানিক লাল দেওয়ান। তিনি বাংলাদেশ ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বহু বছর শিক্ষকতা করেছেন। তিনি ২০০২ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আজ শুক্রবার নিজ বাড়ী মাঝের বস্তি পারিবারিক শ্মশানে বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতিমতে দাহক্রিয়া সম্পাদন করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি