২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় ।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সরদার বাদশা,নিজস্ব প্রতিনিধি ।

 

খুলনার ডুমুরিয়ায় পেশাজীবি সামাজিক সংগঠন ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে দিনব্যাপী ডুমুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি পালন করেছে। উক্ত অনুষ্ঠানের ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করেন উক্ত ফাউন্ডেশন এর প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ডাঃ বিশ্বাস আখতার হোসেন ও সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুর রশীদ মোড়ল। সার্বিক দিক নির্দেশনা দেন ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বাপ্পী, এবং সারাদিন ব্যপি মাঠ পর্যায়ে সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম লিপু।

উক্ত রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচিতে কর্মরত ছিলেন ডুমুরিয়া ফাউন্ডেশন এর স্বেচ্ছাসেবকগণের মধ্যে ইয়াছিন মোল্লা, অয়ন সরকার, মোঃ সোহান ফকির,মোঃ আনিসুর রহমান রাজ, শফিকুল ইসলাম রানা,আজিজুল গাজী প্রভৃতি। সারাদিন ব্যাপী প্রায় তিন শত জন শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকসহ রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করেন।

আয়োজকরা জানান, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের কাজটি করে থাকেন। এর মাধ্যমে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় এর পর প্রত্যেককে কার্ড প্রদান করা হয়। সংগঠনের সদস্যরা যে কোনো সময় কারো প্রয়োজনে রক্ত দিতে প্রস্তুত থাকে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি