1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ১২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে দুই দিনব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। কেশবপুর বিএনপি’র উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত। ফারুয়া ইউনিয়নে আশিকা কর্তৃক ত্রাণ পাচ্ছে আরও  ৬০০ পরিবার । কেশবপুর প্রেসক্লাবে আগামী বার্ষিক সাঃ সভা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত। সুন্দরবনে কোবাদক স্টেশনের অভিযানে ১৭০ কেজি কাঁকড়া সহ ৪ নৌকা জব্দ। কেশবপুরে (অসকস)-এর মাসিক সভা ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। কয়রায় কলেজ ভবনের ছাঁদ ধ্বসে পড়ায় আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী। কয়রায় কলেজ ভবনের ছাঁদ ধ্বসে পড়ায় আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী কালীগঞ্জে ইয়াবাসেবী ও বিক্রেতাসহ এক নারীসহ ছয়জনের কারাদণ্ড। বিলাইছড়িতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে  কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু ।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর মাজরা পোকারআক্রমণে কৃষকেরা দিশেহারা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ৪৬৬ বার পঠিত

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) :প্রতিনিধি :

ধানের প্রধান ক্ষতিকর পোকা মাজরা পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কোটচাঁদপুরের কৃষকরা। মাঠের ধানে আক্রমণ শুরু করায় কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, ৬ হাজার ১৮২ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে এ বছর । টানা দুই মাস বৃষ্টির কারণে বিগত বছরের তুলনায় ৪ হেক্টর কম। গত বছর এ উপজেলায় আমন ধানের চাষ হয়েছিল ৬ হাজার ১৮৬ হেক্টর জমিতে।

উপজেলার ঘাগা তালসার গ্রামের কৃষক মোহাম্মদ জাবেদ হোসেন বলেন, “ধানের শীষ বের হওয়ার আগেই মাজরা পোকার আক্রমণে অনেক ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। অনেক নামিদামি কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করছি তাতেও কোন কাজ হচ্ছে না এখনই যদি প্রতিকার না হয়, তাহলে ফলন অনেক কমে যাবে।”
কৃষক শ্রী অধীর কুমার জানান, “আমরা নিয়মিত জমি পরিদর্শন করি। কিন্তু হঠাৎ করেই মাজরা পোকার আক্রমণ বেড়ে গেছে। আগের বছরের মতো এবারও যেন ধান চাষে লোকসান গুনতে হয়।
কামারকুন্ডু গ্রামের কৃষক আবুবক্কর বলেন, “ধান চাষ করে পরিবারের খরচ চালাই। কিন্তু মাজরা পোকার আক্রমণে আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছি। কীভাবে প্রতিকার করব, বুঝতে পারছি না।”
কোটচাঁদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন বলেন, ‘ধানে প্রতিবছরই মাজরা পোকার আক্রমণ হয়ে থাকে। তবে এ বছর তেমন আক্রান্ত হয় নাই। তবে যেসব জায়গা আক্রান্ত হয়েছে, সেখানে আমারা কাজ করছি।’
তিনি বলেন, ‘প্রতিষেধক হিসেবে আমরা চাষিদের ধানের জমিতে ডাল পোঁতার পরামর্শ দিচ্ছি। কারণ, ধানের জমিতে উপকারী আর অপকারী পোকা উভয়ই থাকে। জমিতে ডাল পোঁতা থাকলে একটা পাখি দিনে ১৫ শ থেকে ২ হাজার ডিম খেতে পারে। এরপরও যদি পোকা নিয়ন্ত্রণে না আসে, সে ক্ষেত্রে আমরা চাষিদের ওষুধ দেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছি।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT