২৪শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শুক্রবার

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর চাকুরির পাশা পাশি গান গেয়ে সাড়া ফেলেছেন কন্ঠ শিল্পি মনির মুন্না।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি॥

চাকুরির পাশাপাশি গান গেয়ে সাড়া জাগিয়েছেন কন্ঠ শিল্পি মনির মুন্না। তিনি গেয়েছেন টাইটেল সং, ইসলামী সংগীত, সলো গান। মানুষের ভালবাসা আর দোয়া পেলে সামনের দিনে আরো ভাল কিছু করতে চান তিনি।

 

কন্ঠ শিল্পি মনির মুন্নার পুরো নাম মনিরুল ইসলাম, নেক নাম মনির মুন্না। বয়স-৩২, পিতা-মৃত মোবারক হোসেন। মুন্না এস এস সি পাশ করেন কোটচাঁদপুর পাইলট বালক বিদ্যালয় থেকে। এরপর এইচ এস সি পাশ করেন কেএমএইচ ডিগ্রী কলেজ থেকে। অনার্স মাস্টার্স করেন ঢাকা তিতুমির কলেজে। ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর রেলস্টেশন পাড়ার বাসিন্দা তিনি। লেখা-পড়া জীবন থেকে গান গাওয়া। সেই থেকে চলছে। স্থানীয় ছোট, বড় স্ট্রেজে গান গেয়েছেন। ভালবাসা পেয়েছেন মানুষের। সে অনুপ্রেরণায় মনির মুন্না গেয়ে চলেছেন আজো। মনির মুন্না রেলওয়ের একজন কর্মচারি। চাকুরির পাশাপাশি তিনি গান গেয়ে সাড়া ফেলেছেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ও নেট দুনিয়া ইউটিউবে। সম্প্রতি তার গাওয়া গান “কেন বারে বারে’’ সাড়া জাগিয়েছেন ইউটিউব সহ সংগীত অঙ্গনে। গানটির গীতিকার মাহবুব রহমান। আর সুর দিয়েছেন শামীম মাহবুদ। মুশফিক লিটুর সংগীতে জি সিরিজ ও অগ্নিবীণার ব্যানারে এ গানটি রিলিজ হয়েছে। এ গানের সহযোগি শিল্পি রয়েছেন বৃষ্টি। যে গানটি রাঙ্গামাটি ও ঢাকাতে সুটিং করা হয়েছে। এতে মডেলিং করেছেন আদর ও ব্যাচেলর পয়েন্টের লামিয়া লাম। মনির মুন্না ইতোমধ্যে গেয়েছেন সিনেমা, নাটকের টাইটেল গান, সলোগান ও ইসলামী সংগীত। যার মধ্যে রয়েছে নাটকের টাইটেল সং পুড়ছে মন। এরপর ডুয়েট জানুক সর্বলোক। এ গানে সহযোগি শিল্পী ছিলেন মোহনা। তারপর রয়েছে নারী দিবস উপলক্ষ্যে নারী গান। যা ইউটিউবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ইসলামী গান রয়েছে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা’’। এ ছাড়া মাদক সচেতনতা নিয়ে মাদক নেশা রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে আরো কিছু গান রিলিজের অপেক্ষায় রয়েছে। যার মধ্যে “এ কেমন আসে দিন, নাকমলি কানমরিম, নিলাম। মনির মুন্না সামনে বিভিন্ন বিষয় ভিত্তিক গান নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। সাথে সাথে মানুষের ভালবাসা, সহযোগিতা আর দোয়া পেলে আরো ভাল ভাল কাজ করতে চান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি