২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

ঝিকরগাছায় পুলিশের সাথে বাটপারী করতে গিয়ে ধরা : মুচলেকায় মুক্তি।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

শাহাবুদ্দিন মোড়ল , ঝিকরগাছা :

যশোরের ঝিকরগাছা থানা পুলিশের এএসআই (নিঃ) মোঃ ইয়াসিন আলীর সাথে বাটপারী করতে গিয়ে ধরা খেয়েছে বাজারের নগদ এজেন্ট বলাকা হার্ডওয়ারের প্রোপাইটর রেজাউল করিম ওরফে রেজা নামের এক ব্যবসায়ী।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, থানা পুলিশের এএসআই (নিঃ) মোঃ ইয়াসিন আলীর নগদ এ্যাকাউন্ডে তার সন্তানের শিক্ষা উপবৃত্তির টাকা আসে। তার টাকার দরকার হওয়ায় রবিবার সকালে ঝিকরগাছা বাসস্ট্যান্ডের পাশে নগদ এজেন্ট বলাকা হার্ডওয়ারের প্রোপাইটর রেজাউল করিম ওরফে রেজা নিকট যান। তখন রেজা তার নগদের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে এএসআই (নিঃ) মোঃ ইয়াসিন আলীর এ্যাকাউন্ডে থাকা নয়শত টাকা সে উত্তলন করে নিয়ে তাকে বলেন আপনার এ্যাকাউন্ডে সমস্যা আছে। পরবর্তীতে পুলিশের এএসআই (নিঃ) মোঃ ইয়াসিন আলী তার এ্যাকাউন্ড থেকে টাকা বের করতে না পেরে পাশ্ববর্তী হল রোডের নগদ এজেন্ট হান্নান আলীর নিকটে যান। তখন হান্নান আলী নগদ এজেন্ট চেক করে দেখেন তার এ্যাকাউন্ড থেকে টাকা উত্তলন করা হয়েছে। পরবর্তীতে এএসআই (নিঃ) মোঃ ইয়াসিন আলী তার প্রতিষ্ঠানে গেলে তিনি থোতোমতো খেয়ে যায়। তাৎক্ষনিক জরুরী ডিউটি অফিসার এএস (নিঃ) মেজবাহ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। থানার কর্তব্যরত অফিসার ইনচার্জ ঘটনার বিষয়ে শুনে রেজাউল করিম ওরফে রেজার পরিবারের লোকজনদের উপস্থিত করে ভবিষ্যতে এমন কাজ করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুচলেকায় মাধ্যমে মুক্তি করে দেন।
নগদ এজেন্ট বলাকা হার্ডওয়ারের প্রোপাইটর রেজাউল করিম ওরফে রেজা বলেন, আমি পিন সেটাপ করতে দিয়ে সমস্যা হয়। পরবর্তীতে টাকা উত্তোলন করা পর তাকে টাকা দেওয়ার জন্য খুজে পায়নি। সেই সময় আমি তার নাম্বারের ফোন করে আমি তাকে ডাকার আগে আমার দোকানে খরিদার আসার কারণে তাকে আমি ফোন দিতে পারিনি।
থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন ভক্ত বলেন, নগদ এজেন্ট বলাকা হার্ডওয়ারের প্রোপাইটর রেজাউল করিম ওরফে রেজাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে তার পরিবারের লোকজনকে অবগত করে ভবিষ্যতে এমন কাজ করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মুচলেকা দেওয়ার কারণে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি