১২ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।বুধবার

চুয়াডাঙ্গায় আর থাকছে না বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ আলমগীর হোসেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি,,

চুয়াডাঙ্গায় এখন থেকে আর বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজের সমস্যা হবে না। সমাধান করা হয়েছে দীর্ঘদিনের লো-ভোল্টেজ সমস্যার। সরাসরি ঝিনাইদহ থেকে জাফরপুর সাব স্টেশনে বিদ্যুৎ আসবে।
চুয়াডাঙ্গা ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ময়নুদ্দিন বলেন, আগে ভেড়ামারা থেকে কুষ্টিয়া, কুষ্টিয়া থেকে ঝিনাইদহ ও ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গা জাফরপুরে ১৩২/৩৩ কেভি সাব স্টেশনে বিদ্যুৎ আসতো। এখন থেকে সরাসরি ভেড়ামারা থেকে ঝিনাইদহে বিদ্যুতের ২৩০/১৩২ কেভি সাব স্টেশন চালু হওয়ায় ঝিনাইদহ থেকে সরাসরি চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যুৎ আসবে।

চুয়াডাঙ্গা ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ময়নুদ্দিন আরও বলেন, ‘সাধারণত বিকেল ৫টার পর থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত পিক আওয়ার ধরা হয়, কেননা এই সময়ে বিদ্যুতের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি থাকে। আগে পিক আওয়ারে চুয়াডাঙ্গা ৩৩ কেভি বিদ্যুতের গ্রিডে পাওয়া যেতো ২৬-২৭ কেভি। আবার পিক টাইম শেষ হয়ে গেলে আস্তে আস্তে যখন বিদ্যুতের ব্যবহার ও চাপ কমতে থাকে, তখনই মূলত অফ পিক টাইম। ওই সময়গুলোতে সাধারণত ২৯-৩০ কেভি বিদ্যুৎ পাওয়া যেতো। এখন সেখানে পিক আওয়ারেই ৩১ কেভি বিদ্যুৎ পাচ্ছি আমরা। মোটামুটি আগের থেকে ৪ বা ৫ কেভি বিদ্যুৎ বেশি পাচ্ছি আমরা।

সেজন্য এখন আর লো-ভোল্টেজের সমস্যা হবে। বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান যেমন বঙ্গজ, আবার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লিফট, পৌরসভার পানির পাম্প, অটোরাইসমিল ভালোভাবেই চলবে। পিক আওয়ারে বা অফ পিক টাইমেও এগুলো চলবে। বাসা-বাড়িতেও ফ্রিজ বা অন্য কিছুর জন্য লো-ভোল্টেজ থাকছে না।’
ঝিনাইদহ পিজিসিবি ২৩০/১৩২ কেভি সাব স্টেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান বলেন, আগে ভোড়ামারা থেকে কুষ্টিয়া, কুষ্টিয়া থেকে ঝিনাইদহে বিদ্যুৎ আসত।
ঝিনাইদহ থেকে চুয়াডাঙ্গা ১৩২ কেভি পাঠানো হতো। অনেক দূর থেকে হওয়ায় কিছুটা কম বিদ্যুৎ পেতো চুয়াডাঙ্গা সাব গ্রিড। তবে ঝিনাইদহে পিজিসিবির ২৩০/১৩২ কেভি বিদ্যুৎ সাব স্টেশন হওয়ায় সরাসরি ভেড়ামারা থেকে ঝিনাইদহে বিদ্যুৎ আসবে এবং চুয়াডাঙ্গা পাবে। সেজন্য এখন থেকে আশা রাখছি, চুয়াডাঙ্গাতে বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজ থাকবে না।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি