১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

চাটখিল মুঠোফোনে হুমকি, গভীর রাতে প্রশাসনের পরিচয় হামলা। আহত ২।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মনির হোসেন (চাটখিল উপজেলা প্রতিনিধি):

নোয়াখালীর চাটখিলে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে ঘরে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়েছেন মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা।

 

 

শনিবার (৭ আগস্ট) ভোররাতে আনুমানিক ৪ টায় উপজেলার ৪ নং বদলকোট ইউনিয়নে ১ নম্বর ওয়ার্ডের উওর মানিকপুরের হূমায়নের নতুন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

 

 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুরের শাহারাস্তি উপজেলার খিরিহর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে ওমান প্রবাসী আকরাম হোসেন। সে মোবাইল ফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে গত ৬ মাস আগে লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাট্রা ইউনিয়নের বাক্সপুর গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে সাথী আক্তারকে (১৯) মুঠোফোনে বিয়ে করে। ওই মেয়ে হাজীগঞ্জের একটি মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী ছিল। করোনাকালীন মাদ্রাসা বন্ধ হয়ে গেলে সে বাড়িতে আসে। প্রেম করে বিয়ে করার কারণে বাড়িতে আসলে তার মা-বাবা তাকে বাড়িতে জায়গা দেয়নি। এরপর সে শ্বশুর বাড়িতে গেলে শ্বশুর বাড়ির লোকজন বিয়ে মেনে না নিয়ে তাকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়। এরপর আহত হুমায়ন কবির (মামা শ্বশুর) খবর পেয়ে ভাগ্নে বউ সাথী আক্তারকে দেড় মাস আগে তার বাড়িতে আশ্রয় দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাথী আক্তারের বড় বোন গত রোববার রাতে হুমায়ন কবিরকে মোবাইলে হুমকি দেয়।

 

 

ভুক্তভোগী হুমায়ন কবির জানান, সাথীর বড় বোনই সন্ত্রাসী পাঠিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।এবং সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়ে হুমায়ুন (৪৮) ও তার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) আহত হন।

 

 

হুমায়ন কবির আরও জানান, ভোর ৪টার দিকে ১০-১২জন অস্ত্রধারী মুখোশ পরিহিত সন্ত্রাসী প্রশাসনের লোক পরিচয়ে আমার ঘরের দরজা খুলে। এরপর ৭জন অস্ত্রধারী ঘরে প্রবেশ করে খাটের ওপর উঠে আমাকে কোপাতে থাকে। এ সময় আমার স্ত্রী শেফালী বেগম আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে তাকেও এলাপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। এ সময় হুমায়ন কবির রড নিয়ে প্রতিহত করতে গেলে হামলাকারী নিজেদেরকে পুলিশ প্রশাসনের লোকবলে একজনকে গুলির নির্দেশ দিলে তিনি ভয়ে রড পেলে দেন। এরপর সন্ত্রাসী চলে গেলে স্থানীয়রা তাদেরকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

 

 

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।

অররবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনা ঃ

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে আসাদুল ইসলাম (১৯) নামে কয়রার এক কলেজছাত্র গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

৯ জুলাই, মঙ্গলবার ভোরে আসাদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সে খুলনার কয়রা উপজেলার মহেশ্বরীপুর গ্রামের নজরুল ইসলাম সরদারের ছেলে। আমাদী জায়গীমহল খান সাহেব কোমর উদ্দীন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় আসাদুলের। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে প্রেমিকাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন কলেজছাত্র আসাদুল। কিন্তু প্রেমিকা বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাকে ভিডিও কলে রেখে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা গেছে।

কলেজছাত্রের প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, আসাদুল ইসলামের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একটি মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানতাম। মেয়েটির সঙ্গে কয়েকবার দেখাও করেছেন তিনি। পরে ঐ মেয়েটিকে বিয়ের জন্য আসাদুল তার পরিবারকে জানান। তার পরিবার তাদের বিয়েতে রাজি হয়। কিন্তু পরে জানতে পারি মেয়েটি রাজি হয়নি। হয়তো সেই দুঃখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

কয়রা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইব্রাহিম হোসেন জানান, কলেজছাত্রটি আলাদা ঘরে থাকতেন। সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে। তার সোজাসুজি রাখা ভিডিও কল চালু অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে অপর প্রান্তে থাকা কাউকে ভিডিও কলে রেখে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি। তার অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কয়রার যুবকের গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা।

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক https://www.facebook.com/share/v/9BEDCU22mRgdpqjn/?mibextid=oFDknk

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক

মহম্মদপুরের দীঘা ইউনিয়নের দীঘা গ্রামে স্বামী -স্ত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা – ভিভিও লিংক