২২শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে সন্তান।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রিফাত পাটোয়ারী চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

 

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে মাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। ঘাতক মমিন দেওয়ান (৪২) কোন কারণ ছাড়াই মা মনোয়ারা বেগম (৬৫) কে হত্যা করেছে। হত্যা করার পরপরই সে পালিয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘটনাটি দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে। হত্যাকারীর ছবি দেখে স্থানীয় জনতা ঘাতককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।২৭ অক্টোবর বুধবার ভোরে পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের পশ্চিম বড়ালীর দেওয়ান বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ নিহত মনোয়ারা বেগম (৬৫) এর লাশ থানায় নিয়ে যায়।

 

জানা যায়, ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের মরহুম আবুল হাশেমের ছেলে মমিন দেওয়ান ঘুমের মধ্যে মাকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেই পালিয়ে যায়। ফরিদগঞ্জ অফিসার ইনচার্জ ঘাতকের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করলে জনতা পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের ভাটিরগাঁও এলাকা থেকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

 

স্থানীয়রা জানায়, এক সন্তানের জনক মমিন ১৭ বছর পূর্বে রুব্বান নামের এক নারীকে হত্যা করেছে। সে মানসিকভাবে বিকারগ্রস্থ। সে প্রায়ই পরিবারের লোকদেরকে হত্যা করার কথা বলতো।

 

এ বিষয়ে বাড়ির একাধিক লোকজন বলেন, ‘সে বাহিরের সকল মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করত। শুধু ঘরে গিয়ে তার মা এবং পরিবারের লোকদেরকে খুন করেবে বলে হুমকী দিতো। গতরাতেও সে এবং তার মা ছাগলের বাছুরকে দুধ খাইয়েছে। সে মানুষিক রোগী ছিলো, যার কারনে সে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটিয়েছে।’

 

৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমি জেনেছি সে মানসিক রোগী। পারিবারিকভাবে সে ভালো ছিলো না। আর্থিক সংকটের কারণে বউ চলে যায়, একই কারণে সে হতাশায় ভুগতো। সে খুনের দায়ে অনেকদিন জেলেও খেটেছে।’

 

ফরিদগঞ্জ অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, ‘আমরা শুনামাত্রই ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ থানায় নিয়ে এসেছি এবং ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুরে প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘাতককে ছেলেকে আটক করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা, খুলনাঃ

খুলনার কয়রায় জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খুলনা জেলার আয়োজনে ও কয়রা উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় এ সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান জি এম মোহসিন রেজা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা আলম।
এসময় আরও উপস্হিত ছিলেন, কয়রা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এস এম বাহারুল ইসলাম, উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সরদার নুরুল ইসলাম কোম্পানি, দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আছের আলী মোড়ল, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ শিকারী, বাঙ্গালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ গাজী, আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল সহ সাতটি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ।

নিরাপদ খাদ্যের মূল প্রবন্ধ উপস্হাপন করেন খুলনা জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ মোকলেছুর রহমান।

কয়রায় নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

মুক্তাগাছা প্রতিনিধি:

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুরের দায়ের কোপে ভাতিজা বউ শিউলী আক্তার খুন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার বাঁশাটি ইউনিয়নের গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানাযায়, উপজেলার গোয়ারী উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিএনজি চালক শরিফুল ইসলামের স্ত্রী শিউলী আক্তার (৩০) স্বপরিবারে ঘুমাচ্ছিল। এ সময় তার চাচা শ্বশুর মৃত নেওয়াজ আলীর পুত্র সোলায়মান মিয়া তাদেরকে ডাকা ডাকি করে ঘর থেকে বের হতে বলে। দরজা খুলে শরিফুল ও তার স্ত্রী শিউলী ঘর থেকে বের হলে সোলায়মান তাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালিগালজ করে। এক পর্যায়ে সোলায়মানের হাতে থাকা দা দিয়ে এলোপাতারি কোপাতে শুরু করে। সোলায়মান দা’ দিয়ে শিউলীর ঘাড়ে কোপ দিলে শিউলী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে সোলায়মান দা নিয়ে শরিফুলকে ধাওয়া দিলে শরিফ প্রাণ বাঁচাতে পুকুরে লাফ দিয়ে প্রণে বাঁচায়। পরে প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে।
নিহত শিউলী একই উপজেলার মুজাটি গ্রামের মৃত হামেদ আলীর মেয়ে। গত ১২ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়। শিউলর ৫ মাসের মেয়ে শিশুসহ ৩ কন্যা সন্তান রয়েছে।
উল্লেখ্য গত শুক্রবার বিকেলে শিউলীর ৬ বছরের মেয়ে লামিয়া এর সাথে সোলায়মানের পুত্রের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার জেরেই সকালে নিহতের বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ডেকে এ খুনের ঘটনা ঘটান।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মুক্তাগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জহিরুল ইসলাম মুন্না জানান, শনিবার সকালে উপজেলার গোয়ারী উত্তর গ্রামে হত্যার ঘটনা ঘটে। থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পাঠায়। মামলার প্রস্তুতি চলছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

মুক্তাগাছায় চাচা শ্বশুড়ের দায়ের কোপে ৩ সন্তানের জননী খুন।