২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

চাঁদপুরের কচুয়ায় দু’শতাধিক পরিবার পেল পুলিশের মানবিক সহায়তা।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

মোঃ রিফাত পাটোয়ারী চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

 

 

চাঁদপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কচুয়া উপজেলায় ২ শতাধিক অসহায়, কর্মহীন ও দরিদ্র পরিবারে মাঝে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।

 

৭ আগস্ট শনিবার বিকেল ৪টায় কচুয়া থানা প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই মানবিক সহায়তা তুলে দেন চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মো.মিলন মাহমুদ পিপিএম।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশের কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ত্রাণ সহায়তা দেয়া নয়। কিন্তু বর্তমানে যে সঙ্কট চলছে, তাতে সমাজের হতদরিদ্র, নিম্ন আয়ের মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি অসুবিধায় রয়েছেন। এর দুঃসময়ে আমরাও তাদের ব্যাথায় ব্যথিত। তাই অসহায় মানুষগুলোর পাশে দাঁড়াতে এই খাদ্য সহায়তা নিয়ে ছুটে এসেছি। এতে আপনারা জানুন যে, আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা নিয়েও আপনাদের পাশে আছি।

 

তিনি আরও বলেন, এই দুর্যোগ বা সংকট শুধু আমাদের দেশে হচ্ছে তা নয়, এটি বৈশ্বিক সঙ্কট। করোনার দুর্যোগে সারা বিশ্বই অর্থনীতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এই সঙ্কট মোকাবেলা করছেন। প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছেন, করোনার দুর্যোগে দেশের একটি মানুষও যেন না খেয়ে থাকে না। এজন্যে সরকার নানাভাবে অসহায় মানুষদের সহযোগিতা করছে।

 

পুলিশ সুপার আরো বলেন, চাঁদপুর জেলা পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি অসহায় মানুষদের জন্য মানবিক সহায়তার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে তালিকা তৈরি করে খাদ্য সহায়তা দিচ্ছি। ধারাবাহিকভাবে প্রতিটি উপজেলায় এই সহায়তা দেয়া হবে। আপনাদের প্রতি আমাদের অনুরোধ, চাঁদপুরে করোনা পরিস্থিতি ভালো না। দয়া করে আপনারা সরকারের নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন। খাবারের চেয়ে জীবন আগে। আপনার কারনে আপনার পরিবারের কেউ যেন, করোনায় আক্রান্ত না হয়।

 

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সন্তোস দাসের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কচুয়া উপজেলার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সুলতানা খানম, পৌরসভার মেয়র নাজমুল আলম স্বপন, চাঁদপুর প্রেসক্লাবে সভাপতিনইকবাল হোসেন পাটওয়ারী।

 

এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) সুদীপ্ত রায়,কচুয়ার সার্কেল আবুল কালাম চৌধুরী, কচুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি মানিক ভৌমিক, সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন।

 

প্রসঙ্গত এর আগে শাহরাস্তি উপজেলা, হাইমচর উপজেলাতেও একইভাবে চাঁদপুর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। মানবিক সহায়তার প্রতিটি প্যাকেটে ছিলো চাল, ডাল, তেল, নুনসসহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি