২০শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের অভিযানে ডুমুরিয়া থানা হতে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ ০২ জন গ্রেফতার।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 নিজস্ব প্রতিনিধি ,সরদার বাদশা।

 

খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ডুমুরিয়া থানা এলাকা হতে সর্বমোট ৩০০+২০০=৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ০২ (দুই) জন মাদক ব্যবসায়ী কে গ্রেফতার করেছে।

 

থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায় খুলনা জেলা ডিবি পুলিশের এসআই (নিঃ) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ ডুমুরিয়া থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য উদ্ধার, অস্ত্র উদ্ধার ও বিবিধ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের কথা জানতে পেরে ১৫ই আগস্ট রোববার দুপুর ১২.০০ টার সময় ডুমুরিয়া থানাধীন সাহস জয়খালী স্কুল মাঠের উত্তর পার্শ্বে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে ১। মোঃ একরামুল গাজী (৩১), পিতা-ইব্রাহিম গাজী, ২। রুহুল আমিন ফকির (২৬), পিতা-জামাল উদ্দিন ফকির, উভয় গ্রাম- ভান্ডারপাড়া, থানা-ডুমরিয়া, জেলা-খুলনাদ্বয়কে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতার পূর্বক আসামীদ্বয়ের হেফাজতে হতে সর্বমোট (৩০০+২০০)= ৫০০ (পাঁচশত) গ্রাম কথিত মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার করেন । এসআই (নিঃ) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক উক্ত মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার সংক্রান্তে ১৫ই আগস্ট রোববার জব্দতালিকা মূলে জব্দ করেন।

 

উক্ত ঘটনায় আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে এসআই (নিঃ) ইন্দ্রজিৎ মল্লিক, জেলা ডিবি, খুলনা বাদী হয়ে ডুমুরিয়া থানার মামলা নং- ১৪, তারিখ- ১৫ই আগস্ট ২১ খ্রিঃ, ধারা- মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬ (১) সারণির ১৯ (ক) দায়ের করেন। উল্লেখ যে, আসামী একরামুল গাজী (৩১) এর নামে ০১ টি মাদক আইনে মামলা রয়েছে০২

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি