১৮ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

খুলনা জেলা ডিবি’র অভিযানে মাদকদ্রব্য গাঁজা সহ আটক -১।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নিজস্ব প্রতিনিধি সরদার বাদশা।

খুলনা জেলা ডিবি পুলিশে’র বিশেষ অভিযানে রূপসা থানা এলাকাতে ১০০ (একশত) গ্রাম মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ ০১ (এক) জন এরগ্রেফতার।

জেলা ডিবি পুলিশ সুত্রে জানা যায়,খুলনা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান মহোদয়ের দিক-নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা, খুলনার অফিসার ইনচার্জ উজ্জ্বল কুমার দত্ত এর নেতৃতে এসআই (নিঃ) তাপস কুমার দত্ত সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ রূপসা থানা এলাকায় মাদক, অস্ত্রসহ বিবিধ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে এসআই (নিঃ) তাপস কুমার দত্ত মাদকদ্রব্য বেচা বিক্রয়ের কথা জানতে পেরে ০৮ই আগস্ট রবিবার রাত ০৯.১০ টার সময় খুলনা জেলার রূপসা থানাধীন ২ নং শ্রীফলতলা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জনৈক আব্দুস সালাম শেখ এর চায়ের দোকানের সামনে থেকে খুলনা জেলার রূপসা থানারশ্রীফলতলা গ্রামের মোঃ মহিরউদ্দিন শেখ এর পুত্র

১। মোঃ জিয়াউদ্দিন শেখ (২৫)কে সাদা পলিথিনের ভিতর রক্ষিত ১০০ (একশত) গ্রাম কথিত মাদকদ্রব্য গাঁজাসহ গ্রেফতার করেন।

এসময় এসআই (নিঃ) তাপস কুমার দত্ত উক্ত মাদকদ্রব্য গাঁজা উদ্ধার সংক্রান্তে রাত্র ০৯.৩০ টার সময় জব্দতালিকা মূলে জব্দ করেন। উক্ত ঘটনায় উপরোক্ত আসামীর বিরুদ্ধে এসআই (নিঃ) তাপস কুমার দত্ত, জেলা ডিবি, খুলনা বাদী হয়ে রূপসা থানার মামলা নং- ০৮, তারিখ- ০৯ই আগস্ট ২১ সোমবারে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন, ২০১৮ এর ৩৬ (১) সারণির ১৯ (ক) দায়ের করেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি