২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

খুলনার তিনটি হাসপাতালে করোনায় ও কোরোনা উপসর্গ নিয়ে ৮ জনের মৃত্যু।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খুলনা প্রতিনিধি।

 

খুলনার তিনটি হাসপাতালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘন্টায় ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৫ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (০৬ আগস্ট) সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

 

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে পাঁচজন, শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে দুজন, গাজী মেডিকেলে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

 

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকাল পার্সন ডাঃ সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘন্টায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।মৃতরা হলেন নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার নাসির উদ্দিন (৮৭), সদর এলাকার নূর জাহান(৭৮), শামসুর রহমান (৫৫), যশোর কোতোয়ালি এলাকার রূপা (৩১) ও অভয়নগরের রহমত আলী (৬৫)।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১২১ জন। যার মধ্যে রেড জোনে ৪৬ জন, ইয়ালো জোনে ৪২ জন, আইসিইউতে ২০ জন এবং এইচডিইউতে ১৩ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৭ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ জন।

 

খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডাঃ প্রকাশ দেবনাথ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।মৃতরা হলেন, খুলনার দাকোপের আমতলার পরিতোন্নেছা(৭০) ও গোপালগঞ্জের ফরিদ আহমেদ (৫৮)। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৩৬ জন। এরমধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ১০ জন। গত ২৪ ঘন্টায় ৫ জন রোগী ভর্তি হয়। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ছয়জন।

 

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডাঃ কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালে কোন রোগির মৃত্যু হয়নি। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৮ জন। তার মধ্যে ১০ জন পুরুষ, আর ১৮ জন নারী। গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছেন ৭ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮ জন।

 

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৬৯ জন ভর্তি রয়েছেন। আইসিইউতে চিকিৎসায় রয়েছেন ১০ জন এবং এইচডিইউতে ২জন। গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছেন ১১ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ জন।গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্তাধিকারী ডাঃ গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘন্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে বাগেরহাট ফকিরহাটের দেলোয়ার হোসেন (৫২) নামে এক রোগির মৃত্যু হয়েছে।

 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫১ জন।আইসিইউতে রয়েছেন ৬ জন এবং এইচডিইউতে ৩ জন। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৪ জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ জন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি