২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

খুলনায় ৩৩৩ ফোন দিলে পৌঁছে যাবে খাবার: খুলনা জেলা প্রশাসক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

খুলনা প্রতিনিধি।

 

কলসেন্টার ‘৩৩৩’ এর প্লাটফর্মের ম্যাধমে আবেদন করায় বর্তমানে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষকে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। গত চার মাসে ৩৩৩ কলসেন্টারের মাধ্যমে খুলনার নয়টি উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার সাতশত ৩১ উপকারভোগীর মাঝে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।

 

‘৩৩৩’ পরিষেবার মাধ্যমে অভিযোগ গ্রহণ, তথ্য প্রদান, সামাজিক সমস্যার সমাধান এবং খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদান সম্পর্কিত প্রেসব্রিফিং বুধবার দুপুরে খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসব্রিফিং-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার এ তথ্য জানান।

 

জেলা প্রশাসক আরও জানান, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্যই ছিলো সহজে সেবাপ্রাপ্তি। সরকারের সকল সুবিধা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চালু হয়েছে ৩৩৩ কল সেন্টার। মানুষ যে কোন সমস্যায় তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য এই নম্বরে কল দিলেই পাবেন নির্দিষ্ট সরকারি সেবা।

 

জেলা প্রশাসক বলেন, প্রচারণার মাধ্যমে মিডিয়ার কর্মীরা ৩৩৩ নম্বরটিকে সকলের মাঝে জনপ্রিয় করে তুলবেন। বর্তমানে নাগরিকগণ ‘৩৩৩’ নম্বরে কল করে সরকারি সেবা প্রাপ্তির পদ্ধতি, জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগের তথ্য, পর্যটন আকর্ষণযুক্ত স্থানসমূহ এবং জেলা সম্পর্কিত তথ্য জানতে পারছেন।

 

 

৩৩৩ কল সেন্টারে দিন-রাত ২৪ ঘন্টা ও সপ্তাহে সাত দিন কল করা যাবে। এই হেল্পলাইনে ডায়াল করলে বিভিন্ন সেবা পাওয়া যাবে। ভূমি সম্পর্কিত ও ভূমি অফিসের যাবতীয় নাগরিক তথ্য কলসেন্টার থেকেই পাওয়া যাবে। ভোক্তা অধিকার সম্পর্কিত বিষয়, যেমন ভেজাল পণ্য উৎপাদন/বিক্রি সংক্রান্ত অভিযোগ করা ও তথ্য দেওয়া যাবে। বাল্যবিবাহ, যৌতুক, ইভটিজিং ইত্যাদি সামাজিক সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য সমাধান চাওয়া যাবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগেও তথ্য সেবা দেবে ৩৩৩ কলসেন্টার। চোরাচালান, মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়, জুয়া, পরিবেশ দূষণ, সরকারি সম্পদ দখল বা চুরি সম্পর্কিত তথ্য দেয়া ছাড়াও নাগরিকগণ নিজেদের এলাকাতে এ ধরণের ঘটনা ঘটতে দেখলে কলসেন্টারে জানাতে পারবেন।

 

খুলনা জেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রেসব্রিফিং-এ খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার জিনাত আরা আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ সাদিকুর রহমান খান ও খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন বক্তৃতা করেন। এসময় ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ারকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি