২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

নারায়ণগঞ্জে কোভিড-১৯ এর ভুয়া ঔষুধ তৈরি

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

সারাবিশ্ব যখন করোনাভাইরাস সৃষ্ট মহামারি কোভিড-১৯ এর প্রতিষেধক কিংবা ওষুধ তৈরি নিয়ে চিন্তিত তখন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে একদল প্রতারক এই রোগের ভুয়া ওষুধ তৈরি করছিল। গ্লোবাল গেইন কনজুমার প্রোডাক্টস লি. নামের অননুমোদিত ওই ওষুধ কারখানা থেকে এ অপরাধে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‍্যাব)।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) র‍্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর এলাকার কারখানাটিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়- মো. নিজাম উদ্দিন (৩৯), মো. খাদেম হোসেন (৩০) ও মো. আমিনুল ইসলামকে (১৮)।

গ্রেফতারকৃতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের বরাত দিয়ে মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী জানান,  অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে কারখানাটি চালিয়ে আসছিল।

সেখান থেকে ‘‘নিহারীকা’’ ব্র্যান্ড নাম দিয়ে কোভিড-১৯ রোগের ভুয়া ওষুধ ‘‘নিহারিকা মান্না’’ পাউডার উৎপাদন করে বাজারজাত করে আসছিলো।

তাদের উৎপাদিত এই ওষুধ জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা আরও জানায়,  চলমান মহামারিতে জনসাধারণের সরলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য এই ওষুধ তারা নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে আসছিল।

তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান র‍্যাব-১১ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি