৯ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।রবিবার

কেশবপুরে কমতে শুরু করেছে সংক্রমনের হার ১৫ মাসে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ২৩ আক্রান্ত ৬৩১।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আজিজুর রহমান,কেশবপুর (যশোর)প্রতিনিধি:

কেশবপুরে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের ফলে ক্রমন্বয়ে কমতে শুরু করেছে কোভিড ১৯। সংক্রমনের হার। ১৫ মাসে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ২৩ আক্রান্ত ৬৩১।

হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২০২০সালের ২৬ এপ্রিল হতে চলতি বছরের ৩০ জুলাই ২০২১ সাল পর্যন্ত কেশবপুর উপজেলায় মোট ২৩ জন মারা গেছে। এর মধ্যে ১৬ জন পুরুষ ও মহিলা ৭ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩১জন। এর মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৫৬৩ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৫ জন।হোম আইসোলেশনে রয়েছে ৩০জন। ঈদুল আযহার পূর্বে কেশবপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের হার যে পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছিলো স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর ভূমিকার কারণে ঈদের পর থেকে সংক্রমনের হার দিন দিন কমতে শুরু করেছে। ঈদের আগে একদিনে সর্বোচ্ছ সংক্রমনের হার ছিলো ২৪ জন। চলতি মাসের ২৯/০৭/২০২১ তারিখে সংক্রমনের হার ছিলো ৪ জন।উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আলমগীর হোসেন জানান, পূর্বের তুলনায় বর্তমানে হাসপাতালে করোনা রোগীর সংখ্যা কম। হাসপাতালে করোনা ইউনিটে আক্রান্ত রোগীর জন্য মোট ৩৬ বেড বরাদ্দ রয়েছে। ঈদের আগে করোনা রোগীর চাপে হাসাপাতালে বেড ও অক্্িরজেনের সংকট থাকলেও বর্তমানে তা নেই।হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীদের সার্বক্ষণিকভাবে সেবা অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত কেশবপুর উপজেলায় মোট ১৩ হাজার ৫শত ৪৯ জন নারী-পুরুষ করোনার টিকা গ্রহণ করেছে।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে সরকারে নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, সেনা, পুলিশ, আনসার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধীরকে সাথে নিয়ে লকডাউন বাস্তবায়নে কেশবপুর শহর থেকে শুরু করে প্রত্যান্ত অঞ্চলে সাধারণ জনগনকে সচেতনতা বৃদ্ধি, মাষ্ক পরিধান ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাচলের জন্য তিনি দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন। সাধারণ জনগন সরকারী নির্দেশনা মেনে চলায় কেশবপুরে করোনা সংক্রমনের হার কমতে শুরু করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি