1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মণিরামপুর সাহিত্য পরিষদের মাসিক সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে সমাধান এর ব্যবস্থাপনায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। ​মাদারীপুরে যাত্রা শুরু করলো শিক্ষা পরামর্শ ও আইইএলটিএস প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ‘এডু অ্যাসিস্টস। কেশবপুরে ড্রেজারের থাবায় নদীতে বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি, অসহায় মানুষের আর্তনাদ! এ্যাড. দীপেন দেওয়ানের নির্দেশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে উপজেলা বিএনপি । পাঁজিয়া ইউনিয়নে অবহেলিত রাস্তাটির উন্নয়ন, স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর। ৭ বছর আগে কেনা জমিতে বাড়ি নির্মাণে বাধা, তদন্তে সরকারি জমি দখলের প্রমাণ মেলেনি। কয়রায় ৩০ কেজি ওজনের সামুদ্রিক কচ্ছপ উদ্ধার, অতপর নদীতে অবমুক্ত । ঘোগা ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি পদে আলোচনায় জাহাঙ্গীর আলম। বিলাইছড়িতে আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শনে ইউএনও মো. জাকির হোসেন ।

কুলাউড়ায় লকডাউনকে পুঁজি করে সিএনজি চালকদের অতিরিক্ত ভাড়া ভাড়া আদায়

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৩ আগস্ট, ২০২১
  • ২৭৫ বার পঠিত

মো: রেজাউল ইসলাম শাফি, কুলাউড়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ

করোনা পরিস্থিতিতে থমকে গেছে পৃথিবী, সারাদেশ থমকে গেছে। অক্সফার্ম’র তথ্যমতে যেখানে খাদ্যাভাবে প্রতি মিনিটে মারা যাচ্ছে ১১ জন মানুষ, এমতাবস্থায় কুলাউড়ার সিএনজি চালকরা শুরু করেছে জিম্মি বাণিজ্য। নির্ধারিত ভাড়া সেখানে তারা দ্বিগুণ করে দিয়েছে।
তাদের কাছে এর কারণ জানতে চাইলে তারা দেয় বিভিন্ন অজুহাত! ৩ জনের বেশি নেওয়া যায় না, করোনার সময় আমরা গরিব মানুষ কেমনে চলবো, যাত্রী চলাচল কম, গ্যাস মিলে না, দাম বেশি!

সরকারি বিধি নিষেধ অনুযায়ী গাড়িতে ৩ জন যাত্রী নিয়ে গাড়ি চালানোর কথা থাকলেও তারা ৫ জন, কখনো কখনো ৬ জন যাত্রী দেখা যায়। অথচ ভাড়া নেয় দ্বিগুণ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে একজন যাত্রী বলেন- তারা বলে তারা নাকি গরিব। কথা হচ্ছে, যদি গরিব হয় তাইলে যে দিন মজুর, এই অবস্থায় যার ইনকাম শুন্য ও সে কেমনে দ্বিগুণ ভাড়া দিবে। আর করোনায় সবার ইনকামই প্রায় শিথিল। সিএনজিতে যারা চলে তারা তো কেউ বড়লোক না। তাহলে এই অত্যাচারের খড়্গ কেন?

যদি গ্যাস না মিলে তাইলে প্রতিদিন হাজার হাজার সিএনজি চলে কেমন করে। গ্যাসের দাম ২০-৩০ টাকা বেশি, এর জন্য ভাড়া দ্বিগুন করতে হবে।
এই সব কথাবার্তা বলার পর তারা বলে সবাই তো যাচ্ছে আপনার সমস্যা কি? অন্য গাড়িতে চলে যাও।’

প্রতিদিন বাসার কাজে পরিবারের কর্তা, এসাইমেন্টের জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের, বিভিন্ন কর্মজীবিদের বাসা থেকে বের হতে হয়। বের হয়েই পড়তে হয় এমন বিড়ম্বনায়। এদের যত্রণায় কুলাউড়াবাসী অতিষ্ঠ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলালপুরের বাসিন্দা বিশিষ্ট সংগঠক আমিনুল ইসলাম ইমন বলেন- ‘নায্য ভাড়ায় যৌক্তিক সেবা পাওয়া জনগণের অধিকার। লকডাউনকে পুঁজি করে সিএনজি চালকদের এমন নির্যাতন মেনে নেওয়া যায় না।’

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT