1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
স্বাস্থ্য মন্ত্রী কর্তৃক তালা হসপিটাল আকস্মিক পরিদর্শন । কেশবপুর এসএসসি-৮৬ বন্ধু কল্যাণ ফোরামের নতুন কমিটি গঠন। কেশবপুরে সুসাহিত্যিক মনোজ বসু’র জন্মদিন উপলক্ষে ‘বিপ্রতীপ’-এর বিশেষ অনুষ্ঠান। কেশবপুরে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা প্রদর্শনী আলোচনা, কবিতা পাঠ, সংগীতানুষ্ঠান। বিলাইছড়িতে পাহাড়ি ঢলে মৃত্যুবরণকারী পরিবারের মাঝে  নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান। কেশবপুরে মোটরসাইকেল ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী নিহত। মুক্তাগাছায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুল পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন। আধুনিক জিয়া হল নির্মাণের দাবিতে বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন কমিটির মানববন্ধন। যশোরের কেশবপুরে পিএফজির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে সড়ক দুর্ভোগে সাগরদত্তকাটির ভুক্তভোগী মানুষ।

এনজিও ঋণের কিস্তি শিথিল করেছে (এমআরএ)

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২০
  • ৩৯০ বার পঠিত

সোনাই ডেস্ক :এনজিও ঋণের কিস্তি ছয় মাসের জন্য শিথিল করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি (এমআরএ)। এর ফলে আগামী জুন পর্যন্ত ঋণগ্রহীতা কিস্তি পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে সেটিকে খেলাপি বা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। গতকাল সংস্থাটি এ বিষয়ে একটি সার্কুলার জারি করে। সার্কুলারে বলা হয়, ‘বর্তমানে করোনাভাইরাসজনিত কারণে বিশ্ববাণিজ্যের পাশাপাশি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

দেশের সার্বিক অর্থনীতির এ নেতিবাচক প্রভাবের ফলে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডও বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি বিধিমালা, ২০১০ এর বিধি ৪৪ অনুসরণে ১ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ঋণের শ্রেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ওই ঋণ তার চেয়ে বিরূপ মানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না। ’ এর আগে গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনে নিম্নবিত্তদের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে ‘করোনায় দিনজীবীদের কমছে আয়, চিন্তা ঋণের কিস্তি নিয়ে’ একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যেখানে ভুক্তভোগীরা এনজিও ঋণের কিস্তি পরিশোধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।

ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর পরই নড়েচড়ে বসে এমআরএ। সংস্থাটির নির্বাহী ভাইস চেয়ারম্যান অমলেন্দু মুখার্জ্জি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমরা আপাতত আগামী জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধের বিষয়টি রিল্যাক্স করে সার্কুলার দিয়েছি। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে প্রয়োজনে এই সুবিধা আরও বাড়ানো হবে। এমআরএর তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ৭৫৮টি এনজিও সারা দেশে প্রায় ১ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে। ৩ কোটির বেশি গ্রাহক এই ঋণ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে বকেয়া ঋণের পরিমাণ ৬৮ হাজার কোটি টাকা। সূত্র-বাংলাদেশ-প্রতিদিন

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT