১৭ই জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।সোমবার

আমরা হিন্দু বলে মুসলমানদের থাকতে দেবো না?==মমতা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

।জসিম মাহমুদ।।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, আমি নিজেও হিন্দু কিন্তু আমি বিজেপির মতো হিন্দু নই। ভারত আমাদের মাতৃভূমি। আমরা দুর্গাপুজো, কালীপুজো করি। আমাদের মুসলিম ভাইয়েরা কি আমাদের কালীপুজো, দুর্গাপুজোতে আসেন না? আমরা হিন্দু বলে কি আমাদের এখানে মুসলমানদের থাকতে দেবো না?
গত বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমানের জামুড়িয়ায় এক সমাবেশে ওই মন্তব্য করে মমতা বলেন, বিজেপি দিল্লির সরকারে থাকলে, জনগণের সবকিছু লুট করে নেয়।
তৃণমূল নেত্রী বলেন, বিজেপি মাঝেমাঝে মাথায় ফেট্টি বেঁধে এসে এক হাতে ঝাণ্ডা ও অন্য হাতে ডাণ্ডা নিয়ে এসে গুণ্ডামি করে। এরাই আবার যখন দিল্লির সরকারে থাকে, জনগণের সবকিছু লুট করে নেয়। ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া যায় না।
হিন্দুত্ববাদী দলটির সমালোচনায় মমতা আরও বলেন, বাংলায় ৩০ শতাংশ সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বাস করে এটা মনে রাখতে হবে। ওদের রমজানে আমরা যেমন যাই তেমন ওরা আমাদের দুর্গাপুজোতেও আসে। আমি যদি ছটপুজো উপলক্ষে গঙ্গা মায়ের পুজো করি তাহলে রমজানের রোজার উপবাসও পালন করি- এসব কিছুর পার্থক্য কোথায়? আমি সর্ব ধর্মকে সমানভাবে পছন্দ করি।

তিনি বলেন, সমাজ যদি টুকরো টুকরো হয়ে যায় তাহলে কি হবে? হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে, পাঞ্জাবি-ঈসায়িদের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়ে যাবে। ভাই ভাই ঝগড়া করবে। তাহলে কি হবে? শুধু রক্ত ঝরবে, অশ্রু ঝরবে- তাছাড়া কিছু হবে না। সেজন্য জীবনে সফল হতে গেলে একতা, সম্প্রীতি, ভালোবাসা বজায় রাখতে হবে।

মমতা বলেন, আমরা সব ধর্মের উৎসব সমানভাবে পালন করি। বাংলা সর্বধর্ম সমন্বয়ের স্থল। এখানে কোনও পার্থক্য নেই।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি