২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

আজ সন্ধ্যায় দিল্লিতে সনিয়ার সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক মমতার

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি ও ইউ পি এ এর চেয়্যারম্যান শ্রীমতী সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃনমূল দলের নেত্রী ও পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল থেকে দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজনৈতিক ভাবে বিভিন্ন দলের নেতা ও নেত্রীদের সাথে যোগাযোগ করছেন। কারন একটাই আগামী, ২০২৪,সালে, ভারতের যে লোকসভা নির্বাচন হবে তখন ভারতের সব বিরোধী দলের জোট এক হয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে ও বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করে হারাতে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই কথা হয়েছে এন সি পি নেতা শ্রী শারদ পাওয়ারের সাথে এবং শিবসেনা নেতা এবং মহারাষ্ট্র রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শ্রী উদ্ভব ঠাকুরের সঙ্গে। সেই সঙ্গে কথা হয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পাটির নেতা শ্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সাথে। গতকাল থেকে দফায় দফায় বৈঠক করেন নিজের দলের নেতা ও সংসদ সদস্যদের সাথে। আজ রাতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে দশ নম্বর জনপথ ভবনে শ্রীমতী সনিয়া গান্ধীর সাথে। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষে শ্রী অভিষেক মনু সিঙভি, শ্রী কমল নাথ। এই বৈঠকে আগামী নির্বাচনে কি ভাবে বি জি পি কে পরাজিত করা যার তার জন্য মত বিনিময় হবে। কারণ পশ্চিম বাংলার প্রদেশ কঙগ্রেস সভাপতি ও ভারতের লোকসভার বিরোধী দলের নেতা শ্রী অধীর চৌধুরীর সাথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর ভালো সম্পর্ক না থাকার কারণে তাকে বাদ দিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কারণ ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের নেতা শ্রী কমল নাথ ও সংসদ সদস্য শ্রী অভিষেক মনু সিঙভি র সাথে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক খুবই ভালো। যাই হোক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি ও ইউ পি এ চেয়ারম্যান শ্রীমতী সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালোর কারণে এই বৈঠকে দুজনেই উপস্হিত থাকছেন। আজ সকালে বিগত কয়েক বছর আগের হাওলা কান্ডের বিচারপতি শ্রী বিনীত নারায়ণ সাথে দেখা করেন। এই বিনীত নারায়ণ তৎকালীন হাওলা কান্ডে বর্তমান পশ্চিম বাংলার রাজ্যপাল শ্রী জগদীশ ধনকড় এর নাম ছিল বলে জানিয়ে ছিলেন। সে মামলার নিস্পত্তি এখনো পর্যন্ত হয়নি বলে জানা গেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিম বাংলার রাজ্যপাল শ্রী জগদীশ ধনকড় এর বিরুদ্ধে লড়াই জারি রেখেছেন। তবে আগামী নির্বাচনে বিজেপি হারবে কি না, জিতবে সেটি লাখ টাকার প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে আম আদমির কাছে।। ভারত থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি