২১শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার

আজ ত্রিপুরার রাজপথে রক্তাক্ত তৃনমূল দলের নেত্রী শ্রীমতী জয়া দত্ত, সহ দেবাঙ্গসু ভট্টাচার্য ও সুদীপ রায়।।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

আজ ত্রিপুরার রাজপথে রক্তাক্ত তৃনমূল দলের নেত্রী শ্রীমতী জয়া দত্ত, সহ দেবাঙ্গসু ভট্টাচার্য ও সুদীপ রায়।।

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমাম।।

আজ বিকালে তৃনমূল দলের নেত্রী শ্রীমতী জয়া দত্ত ও সুদীপ রায় ও দেবাঙ্গসু ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে একটি দল যখন দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে যারছিলেন। ঠিক তখনই ত্রিপুরার রাজপথে আক্রান্ত হন বিজেপি নেতা ও কর্মীদের দ্বারা। তাদের উপর চড়াও হয় কিছু বিজেপি নেতা ও কর্মীরা। রড ও পাথর দিয়ে তাদের মারা হয়। সাথে সাথে তারা মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সেখানে পুলিশের কোন সাহায্য পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা দেশ। এই ঘটনার তিব্র ধিক্কার জানান তৃনমূল দলের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শ্রী অভিষেক ব্যানার্জী ও পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ত্রিপুরার দায়িত্ব থাকা পশ্চিম বাংলার পুত্ত মন্ত্রী শ্রী মলয় ঘটক সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্ব। কয়েক দিন আগে তৃনমূল দলের প্রচার সেল আইপ্যাক সদস্যদের ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় গ্রেপ্তার করে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব সরকারের পুলিশ। এই ঘটনার পর ত্রিপুরাতে যান তৃনমূল দলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শ্রী অভিষেক ব্যানার্জী ও অন্যান্য নেতৃত্ব। সেবার অভিষেক ব্যানার্জী আগরতলা কাছে ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরে যাওয়ার পথে বিজেপি নেতা ও কর্মীদের দ্বারা আক্রান্ত হন। আজ ফের একইভাবে আক্রান্ত হলেন ত্রিপুরায় আইপ্যাক সদস্যদের প্রতিনিধি শ্রী মতি জয়া দত্ত ও সুদীপ রায় ও দেবাঙ্গসু ভট্টাচার্য। এই ঘটনার পর ত্রিপুরার রাজ্য রাজ নিতে তোলপাড় শুরু হয়। তবে ত্রিপুরার এক বিজেপি নেতা বলেন যে তাদের নেতা ও কর্মীদের উপর যে ভাবে তৃনমূল দলের নেতা ও কর্মীরা অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছেন তার বহিপ্রকাশ ঘটেছে এই ঘটনার। তবে এই ঠিক নয় বলে মনে করেন ওই নেতা। তবে আগামী নির্বাচনে পাখির চোখ রাখতে এবার থেকে মাসে দুই বা তিনবার ত্রিপুরার মাটিতে পা রাখবেন শ্রী অভিষেক ব্যানার্জী ও তার তৈরি করে দেওয়া পাচ সদস্যের একটি টিম তার মধ্যে থাকছেন পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রী সভার সদস্য শ্রী মলয় ঘটক ও শ্রী ব্রাত্য বসু ও কুনাল ঘোষ ও ঝ্রাতব্রত্য বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক শ্রী সমির পাজা।।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি