1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
এ্যাড.দীপেন দেওয়ান  পদত্যাগে বিলাইছড়ি বিএনপি’র প্রতিবাদ । কেশবপুর উপজেলার ফয়েজউদ্দিন গাজী ১২ দিন ধরে নিখোঁজ। খুলনা বিভাগের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন কয়রার সেরাজুল ইসলাম সবুজ । জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন সুরক্ষায় সব ধরনের বনজীবী ও পর্যটকদের ৩ মাস সুন্দরবনে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও দৈনিক বাংলার প্রত্যয় পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি পরেশ দেবনাথের জন্মদিনে শুভেচ্ছা। সমন্বয় করতে গিয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। মারা গেছেন তোফায়েল আহমেদ। বিলাইছড়িতে ২ দিনের সফরে  চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায় । কেশবপুরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এঁর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা। কয়রায় জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী পালন  উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল ।

কেশবপুরে কমতে শুরু করেছে সংক্রমনের হার ১৫ মাসে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ২৩ আক্রান্ত ৬৩১।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১
  • ২৫৩ বার পঠিত

আজিজুর রহমান,কেশবপুর (যশোর)প্রতিনিধি:

কেশবপুরে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের ফলে ক্রমন্বয়ে কমতে শুরু করেছে কোভিড ১৯। সংক্রমনের হার। ১৫ মাসে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ২৩ আক্রান্ত ৬৩১।

হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২০২০সালের ২৬ এপ্রিল হতে চলতি বছরের ৩০ জুলাই ২০২১ সাল পর্যন্ত কেশবপুর উপজেলায় মোট ২৩ জন মারা গেছে। এর মধ্যে ১৬ জন পুরুষ ও মহিলা ৭ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩১জন। এর মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ৫৬৩ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ৫ জন।হোম আইসোলেশনে রয়েছে ৩০জন। ঈদুল আযহার পূর্বে কেশবপুরে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের হার যে পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছিলো স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর ভূমিকার কারণে ঈদের পর থেকে সংক্রমনের হার দিন দিন কমতে শুরু করেছে। ঈদের আগে একদিনে সর্বোচ্ছ সংক্রমনের হার ছিলো ২৪ জন। চলতি মাসের ২৯/০৭/২০২১ তারিখে সংক্রমনের হার ছিলো ৪ জন।উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আলমগীর হোসেন জানান, পূর্বের তুলনায় বর্তমানে হাসপাতালে করোনা রোগীর সংখ্যা কম। হাসপাতালে করোনা ইউনিটে আক্রান্ত রোগীর জন্য মোট ৩৬ বেড বরাদ্দ রয়েছে। ঈদের আগে করোনা রোগীর চাপে হাসাপাতালে বেড ও অক্্িরজেনের সংকট থাকলেও বর্তমানে তা নেই।হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীদের সার্বক্ষণিকভাবে সেবা অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত কেশবপুর উপজেলায় মোট ১৩ হাজার ৫শত ৪৯ জন নারী-পুরুষ করোনার টিকা গ্রহণ করেছে।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে সরকারে নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, সেনা, পুলিশ, আনসার ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধীরকে সাথে নিয়ে লকডাউন বাস্তবায়নে কেশবপুর শহর থেকে শুরু করে প্রত্যান্ত অঞ্চলে সাধারণ জনগনকে সচেতনতা বৃদ্ধি, মাষ্ক পরিধান ও স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলাচলের জন্য তিনি দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করে চলেছেন। সাধারণ জনগন সরকারী নির্দেশনা মেনে চলায় কেশবপুরে করোনা সংক্রমনের হার কমতে শুরু করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT