1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
কেশবপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত দুই নারীসহ ১১ আসামি গ্রেফতার। বিলাইছড়িতে  টানা বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় প্রশাসনের মাইকিং । কেশবপুর-বড়েঙ্গা-ভেরচি-ভরত ভায়না সড়কটি দ্রুত সংস্কারেরর দাবী। গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম। শ্যামনগরে লিডার্সের উদ্যোগে কৃষকের মাঝে লবণ, খরা ও বন্যা সহিষ্ণু ধান বীজ ও সার বিতরণ। কেশবপুরে ভারী বৃষ্টিতে সরকারি দপ্তরের প্রবেশপথ তলিয়ে, দুর্ভোগে পথচারীরা। শ্যামনগরে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত। কেশবপুরে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬ উদযাপন। কয়রায় জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন । কালীগঞ্জের পৌরসভার তুমলিয়া সমাজ কল্যান সংঘ ও তুমুলিয়া যুব সমাজের উদ্যোগ মাদক বিরোধী গণবিক্ষোভ।

কেশবপুর-বড়েঙ্গা-ভেরচি-ভরত ভায়না সড়কটি দ্রুত সংস্কারেরর দাবী।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬
  • ২ বার পঠিত

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি।

যশোরের কেশবপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ সড়ক কেশবপুর-বড়েঙ্গা-ভেরচি-ভরত ভায়না সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে এখন কার্যত চলাচলের প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কটির বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তগুলো পানিতে ভরে যাওয়ায় কোথায় রাস্তা আর কোথায় গর্ত তা বোঝার উপায় থাকে না। ফলে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ। এই সড়কটি কেবল একটি গ্রামের যোগাযোগের পথ নয় এটি কেশবপুর উপজেলার গৌরীঘোনা, সুফলাকাটি, পাঁজিয়া, মঙ্গলকোট, কেশবপুর সদর ইউনিয়ন এবং পৌরসভার একাংশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, কৃষক, রোগীবাহী যানবাহন ও সাধারণ মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এসব গর্তে পানি জমে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হয়। মোটরসাইকেল, ভ্যান, ইজিবাইক, অটোরিকশা ও ছোট যানবাহন প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। অনেক সময় পথচারীদেরও কাদা ও পানির কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কৃষিপ্রধান এ অঞ্চলের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান এবং মৎস্য চাষিরা মাছ কেশবপুর বাজারে আনতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ভোগান্তির মুখে পড়ছেন। এতে পরিবহন ব্যয় যেমন বাড়ছে, তেমনি সময়ও নষ্ট হচ্ছে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের একাধিক স্থানে পিচ সম্পূর্ণ উঠে গেছে। কোথাও কোথাও এত বড় গর্ত হয়েছে যে, যানবাহনকে অত্যন্ত ধীরগতিতে চলতে হচ্ছে। অনেক চালক দুর্ঘটনা এড়াতে রাস্তার পাশ দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করছেন, যা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বর্ষা শেষ হওয়ার অপেক্ষা না করে জরুরি ভিত্তিতে অন্তত গর্তগুলো ভরাট করে চলাচল স্বাভাবিক রাখা দরকার। পরে স্থায়ীভাবে কার্পেটিং বা পুনর্নিরমাণের উদ্যোগ নেওয়া বিশেষ প্রয়োজন। অন্যথায় কয়েক মাসের মধ্যেই সড়কটি সম্পূর্ণরূপ অচল হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি এখনই কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকলে শুধু জনদুর্ভোগই বাড়ে না, উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হয়। জনগণের করের টাকায় নির্মিত সড়কের যথাসময়ে রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্ব। তাই স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ কেশবপুর-বড়েঙ্গা-ভেরচি-ভরত-ভায়না সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
ছবিঃ
০৭/০৭/২৬

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT