1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৬:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলোচনায় জয়সিন্ধু : একবার সুযোগ দিলে আনবে উন্নয়নে গতি। খুলনার ডাকবাংলা মোড়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত -১। নিখোঁজ ব্যবসায়ী সূজনকে রহস্যজনকভাবে উদ্ধার ঢাকার কড়াইল বস্তিতে হবে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন। বিলাইছড়িতে  ইউএনও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। খুলনার দিঘলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা আহত -৩। খুলনা নগরীতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে জরিমানা আদায়। বাতকস কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী কমিটির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন মন্ত্রী এ্যাড.দীপেন দেওয়ান। খুলনায় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর অবৈধ সিগারেটের প্রচারণা। শ্যামনগর মুন্সিগঞ্জ জেলেখালী নাটক বৈরাগী বাড়ির বায়োস্কোপ মঞ্চস্থ।

একই পরিবারে সরকারী তিনটি ঘর নিয়ে হৈ চৈ কোটচাঁপুর ‘জমি আছে ঘর নাই’ প্রকল্পের বাড়ি ভেঙ্গে তৈরী হচ্ছে ছাদের বাড়ি!

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ১৪০ বার পঠিত

সাইদুর রহমান,ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সাবদারপুর গ্রামে “জমি আছে ঘর নাই” প্রকল্পের বাড়ি ভেঙ্গে ফ্লাটবাড়ি তৈরী করার অভিযোগ উঠেছে। ইতিমেধ্য ঘরে ছাদ দেওয়ার কাজ চলছে। এই প্রকল্পের ঘর ভাঙ্গার কোন বিধান না থাকলেও ঘরের মালিক সুমি হালদার ঘর ভেঙ্গে ছাদের বাড়ি করছেন। অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের তিন সদস্য পেয়েছেন দুর্যোগ সহনীয় প্রকল্পের “জমি আছে ঘর নাই” প্রকল্পের বাড়ি। তৎকালীন কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অনেকটা সেচ্ছাচারিতা ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে এই ঘর বরাদ্দ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ৫/৬ বছর আগে কোটচাঁপুরের সাবদারপুর গ্রামের শ্রী নারায়ন হালদার, তার ছোট ছেলে বাসুদেব হালদার ও বড় ছেলে প্রহল্লাদ হালদারের স্ত্রী সুমি হালদারের নামে “জমি আছে ঘর নাই” প্রকল্পের বাড়ি বরাদ্দ দেওয়া হয়। নারায়ন হালদারের বড় ছেলে প্রহল্লাদ হালদার কোটচাঁদপুর ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত থাকায় প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে নিজের পরিবারের তিন সদস্যের নামে তিনটি ঘর বাগিয়ে নিতে সক্ষম হন বলে এলাকাবাসি মনে করেন। এখন অনুমতি ব্যতিত সেই বাড়ি ভেঙ্গে নিজের ইচ্ছামতো ছাদের বাড়ি তৈরী করছেন। জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন একই পরিবারে এই প্রকল্পের ঘর দেওয়ার বিধান নেই। যদি কেউ বরাদ্দ দিয়ে থাকেন তবে অনিয়মের মাধ্যমে করেছেন। কোটচাঁদপুর ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত প্রহল্লাদ হালদার জানান, আমার পরিবারের তিন সদস্য ঘর পেয়েছে এটা সত্য। তবে ঘরগুলো ছিল কাঠের, তাই ঘুন পোকা লেগে নষ্ট হয়ে গেছিল। আমার স্ত্রীর নামে বরাদ্দকৃত ঘরটি ভেঙ্গে তাই ছাদ দিচ্ছি। তিনি আরো বলেন, এই ঘর ভেঙ্গে যে নতুন কর করা যাবে না তা নীতিমালায় নেই। বিষয়টি নিয়ে কোটচাঁদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ওয়ালীউল্লাহ জানান, এই প্রকল্পের সঙ্গে আমার অফিসের সংশ্লিষ্ট নেই। কোটচাঁদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনারের (ভুমি) দপ্তর প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে, তারাই ভালো বলতে পারবেন। সাবদারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর মান্নান বলেন, আমার আগের চেয়ারম্যানের সময় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে আইন মোতাবেক “জমি আছে ঘর নাই” প্রকল্পে

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT