1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
রংপুরে ছয় মাস সংসার করে স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা। কালীগঞ্জে মাদক বিরোধী মিনিবার ফুটবল টুনামেন্ট অনুষ্ঠিত। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্যামনগরে ৭১টি মন্দিরে ড.মনিরুজ্জামানের শুভেচ্ছা উপহার। বিলাইছড়িতে নেতৃত্ব বিকাশ ও সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু। কয়রায় আন্তর্জাতিক দূর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত । খুলনা জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের মনিটরিং সেল গঠন  রতন মিত্র আহবায়ক ও সুমন দাস সদস্য সচিব । কেশবপুরে অভিভাবক ও কিশোরীদের সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে স্ক্রিনিং ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। কেশবপুরে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ। জনদুর্ভোগের কথা শুনলেন মেয়র পদপ্রার্থী, নির্বাচিত হলে উন্নয়নের আশ্বাসদেন ইমদাদুল হক ইমদাদ।

ডুমুরিয়ায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক’র দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ১ আগস্ট, ২০২২
  • ২০৭ বার পঠিত

সরদার বাদশা নিজস্ব
প্রতিনিধি খুলনা।

ডুমুরিয়ার কৃষ্ণনগর এম,বি,বি,এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিচরণ হালদার’র দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোমবার সকাল ১০ টায় বিদ্যালেয়ের পাশে সড়কে এক মানববন্ধন করা হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তব্যদেন, চেয়ারম্যান মনোজিৎ বালা, সাবেক প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি রায়, সমাজ সেবক স্বপন কুমার বিশ্বাস, মেম্বর মিলন কান্তি বালা, অনিল কৃষ্ণ বালা, আনন্দ মোহন বিশ্বাস, নৃপেন মন্ডল, অনাথ ঢালী,অমাল বৈরাগী,পলি রানী মন্ডল, পিংকী রানী মন্ডল প্রমূখ। ওই সময় বক্তারা বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মধুসূদন বিশ্বাস, সহকারী শিক্ষক মহেশ্বর বৈরাগী ও ললিত মহোন বৈরাগী, বিপুল বৈরাগী বিদ্যালয় আয়াসহ ৩টি পদে লোক নিয়োগের জন্য নকল চিঠি তৈরী করেন। এবং প্রধান শিক্ষক সেইটিকে পুজি করে ৩টি পদে লোক নিয়োগ দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ বাণিজ্য করেন। কারো সাথে কোনো আলোচনা না করে এডহক কমিটি করা হয়। প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে অনেক দিন যাবৎ বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়। তিনি বিদ্যালয় ঠিকমতো আসেন না এমন অভিযোগ তোলা হয়। তিনি ক্লাসের সময় বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। অন্যান্য শিক্ষকরা গা ভাসিয়ে ক্লাস নেন। যে কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান খারাপ হয়ে পড়েছে। ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ শিক্ষককের উপর নাখোশ। অভিভাবক ও সুধীজন প্রধান শিক্ষককের অপসারণ চেয়ে তদন্তে সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT