1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মণিরামপুরে চেকের আলাদা মামলায় প্রধান শিক্ষক জামালের আবারও ১ বছরের জেল। কেশবপুরে বিনামূল্যে দরিদ্রদের সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার, বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জনগণের উন্নয়নে পাশে দাঁড়াতে হবে এমপি, ফজলুল হক মিলন। শ্যামনগরে এইচএসসি,আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ম দিনে অনুপস্থিত অর্ধশত। সারা দেশে এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু,মোট পরিক্ষার্থী ১২ লক্ষ ৭০ হাজার ৫৮৩ কালীগঞ্জে পরিক্ষার্থী ১৮৫৫ জন। আজীবন কয়রার মানুষের পাশে থাকতে চাই …………….জেলা পরিষদের প্রশাসক বাপ্পী। বাগদহা গ্রামে সবচেয়ে পুরনো রাস্তার বেহাল অবস্থাঃ দেখার কেউ নেই। মো. আল-আমিন দেওয়ান আল আবেদী জন্ম দিনের শুভেচ্ছায় শিক্তহলেন।

ডুমুরিয়ায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক’র দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ১ আগস্ট, ২০২২
  • ১৭৮ বার পঠিত

সরদার বাদশা নিজস্ব
প্রতিনিধি খুলনা।

ডুমুরিয়ার কৃষ্ণনগর এম,বি,বি,এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বিচরণ হালদার’র দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোমবার সকাল ১০ টায় বিদ্যালেয়ের পাশে সড়কে এক মানববন্ধন করা হয়েছে। মানববন্ধনে বক্তব্যদেন, চেয়ারম্যান মনোজিৎ বালা, সাবেক প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি রায়, সমাজ সেবক স্বপন কুমার বিশ্বাস, মেম্বর মিলন কান্তি বালা, অনিল কৃষ্ণ বালা, আনন্দ মোহন বিশ্বাস, নৃপেন মন্ডল, অনাথ ঢালী,অমাল বৈরাগী,পলি রানী মন্ডল, পিংকী রানী মন্ডল প্রমূখ। ওই সময় বক্তারা বলেন, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মধুসূদন বিশ্বাস, সহকারী শিক্ষক মহেশ্বর বৈরাগী ও ললিত মহোন বৈরাগী, বিপুল বৈরাগী বিদ্যালয় আয়াসহ ৩টি পদে লোক নিয়োগের জন্য নকল চিঠি তৈরী করেন। এবং প্রধান শিক্ষক সেইটিকে পুজি করে ৩টি পদে লোক নিয়োগ দিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ বাণিজ্য করেন। কারো সাথে কোনো আলোচনা না করে এডহক কমিটি করা হয়। প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে অনেক দিন যাবৎ বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা হয়। তিনি বিদ্যালয় ঠিকমতো আসেন না এমন অভিযোগ তোলা হয়। তিনি ক্লাসের সময় বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। অন্যান্য শিক্ষকরা গা ভাসিয়ে ক্লাস নেন। যে কারণে বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান খারাপ হয়ে পড়েছে। ফলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ শিক্ষককের উপর নাখোশ। অভিভাবক ও সুধীজন প্রধান শিক্ষককের অপসারণ চেয়ে তদন্তে সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT