1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
মণিরামপুরে চেকের আলাদা মামলায় প্রধান শিক্ষক জামালের আবারও ১ বছরের জেল। কেশবপুরে বিনামূল্যে দরিদ্রদের সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার, বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জনগণের উন্নয়নে পাশে দাঁড়াতে হবে এমপি, ফজলুল হক মিলন। শ্যামনগরে এইচএসসি,আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ম দিনে অনুপস্থিত অর্ধশত। সারা দেশে এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু,মোট পরিক্ষার্থী ১২ লক্ষ ৭০ হাজার ৫৮৩ কালীগঞ্জে পরিক্ষার্থী ১৮৫৫ জন। আজীবন কয়রার মানুষের পাশে থাকতে চাই …………….জেলা পরিষদের প্রশাসক বাপ্পী। বাগদহা গ্রামে সবচেয়ে পুরনো রাস্তার বেহাল অবস্থাঃ দেখার কেউ নেই। মো. আল-আমিন দেওয়ান আল আবেদী জন্ম দিনের শুভেচ্ছায় শিক্তহলেন।

রাজারহাটে তিস্তা নদীর ভাঙনে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৯৫ বার পঠিত

নয়ন দাস,কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় তিস্তা নদীর প্রবল ভাঙনে বিলীন হচ্ছে প্রতিদিন বসতভিটাসহ আবাদি জমি ও নানা স্থাপনা।

বন্যার পানি নেমে গেছে ঠিকই কিন্তু ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই দেখা দিয়েছে তীব্র নদী ভাঙন।

 

হুমকিতে রয়েছে উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙা ইউনিয়নের গতিয়াশাম কমিউনিটি ক্লিনিকটি। অন্যদিকে, হুমকির মুখে রয়েছে নামাভরাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনসহ আরো কয়েকশ ঘড়বাড়ি।

 

জানা গেছে, সম্প্রতি বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর গত এক মাসে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে শত শত পরিবার। তীব্র ভাঙনে তিস্তা পারের বাসিন্দারা সর্বহারা হলেও জিও ব্যাগ ফেলা ছাড়া ভাঙন প্রতিরোধে টেকসই কোনো ব্যবস্থা নেয়নি স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

 

রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের গতিয়াশাম কমিউনিটি ক্লিনিকটি স্থানীয়দের চিকিৎসার একমাত্র আশ্রয়স্থল। বর্তমানে এ চিকিৎসা কেন্দ্রটি তিস্তার ভাঙনে হুমকিতে রয়েছে।

 

নদীর কিনারে দাঁড়িয়ে প্রহর গুণছে কখন ভেঙে নদীগর্ভে চলে যায়। যেকোনো মুহূর্তে নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে ভবনটি। এতে করে ওই গ্রামের অন্তত ৭ থেকে ৮ হাজার মানুষ প্রাথমিক চিকিৎসা বঞ্চিত হবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

নদী পাড়ের বাসিন্দরা জানান, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে প্রায় ২৩ লাখ টাকা ব্যয়ে আট শতক জমির ওপর কমিউনিটি ক্লিনিকের ভবনটি নির্মাণ করে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।

 

স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তির অনুদানের জমিতে নির্মিত এই ক্লিনিকটি ওই এলাকার বাসিন্দাদের চিকিৎসা সেবার ভরসাস্থল হয়ে উঠেছে। কিন্তু তিস্তার চলমান ভাঙনে স্থানীয় বাসিন্দারা ভিটেমাটি ছাড়া হওয়ার পাশাপাশি তাদের চিকিৎসার আশ্রয়স্থলটিও হারিয়ে যাচ্ছে।

 

কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মো. আলতাব হোসেন বলেন, গতিয়াশাম কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যামে এই এলাকার প্রায় আট হাজারেরও বেশি মানুষ চিকিৎসা সেবা পেয়ে থাকেন। সরকারি ওষুধসহ প্রাথমিক চিকিৎসার বিভিন্ন সরঞ্জামাদি রয়েছে এখানে। ভবনটি না থাকলে ভোগান্তিতে পড়বে সেবা গ্রহীতারা।

 

ক্লিনিকটির জমি দাতা হাদিউজ্জামান আনসারি জানান, আমরা স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতা ও স্বেচ্ছাশ্রমে ভাঙন রোধে চেষ্টা করছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে যদি পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে হয়তো ক্লিনিকটি রক্ষা করা যাবে না।

 

ঘড়িয়াল ডাঙা ইউপি চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ কর্মকার জানান, ক্লিনিকটি নদীতে বিলীন হলে ওই এলাকার মানুষের চিকিৎসাসেবা পেতে ভোগান্তিতে পড়তে হবে। আমরা কর্তৃপক্ষকে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়া অনুরোধ করেছি।

 

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদ্য যোগদানকৃত নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছি। পানি কমে যাওয়ায় তিস্তার ভাঙনের হার পূর্বের তুলনায় কম। তিনি এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT