1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
মণিরামপুরে চেকের আলাদা মামলায় প্রধান শিক্ষক জামালের আবারও ১ বছরের জেল। কেশবপুরে বিনামূল্যে দরিদ্রদের সেলাই মেশিন, হুইল চেয়ার, বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়। কেশবপুর থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার। কালীগঞ্জে জনগণের উন্নয়নে পাশে দাঁড়াতে হবে এমপি, ফজলুল হক মিলন। শ্যামনগরে এইচএসসি,আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১ম দিনে অনুপস্থিত অর্ধশত। সারা দেশে এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু,মোট পরিক্ষার্থী ১২ লক্ষ ৭০ হাজার ৫৮৩ কালীগঞ্জে পরিক্ষার্থী ১৮৫৫ জন। আজীবন কয়রার মানুষের পাশে থাকতে চাই …………….জেলা পরিষদের প্রশাসক বাপ্পী। বাগদহা গ্রামে সবচেয়ে পুরনো রাস্তার বেহাল অবস্থাঃ দেখার কেউ নেই। মো. আল-আমিন দেওয়ান আল আবেদী জন্ম দিনের শুভেচ্ছায় শিক্তহলেন।

শৈশবের স্মৃতি গুলো বেশি নাড়া দেয়।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৫৩ বার পঠিত

নিয়ামুল ইসলাম, বগুড়া প্রতিনিধি ।

 

ব্যস্ত পৃথিবীতে জীবন ও জীবিকার তাগিদে আমাদের নিরন্তর ছুটে চলা। ক্ষণস্থায়ী এ জীবনে কত মধুর স্মৃতি সঞ্চার হয়, যা ক্ষণে ক্ষণে স্মৃতিপটে ভেসে ওঠে। এই সবের মধ্যে শৈশবের স্মৃতি গুলো বেশি নাড়া দেয়।

 

বর্তমান প্রজন্মের শিশুদের মতো তখন হাতে এতো মোবাইল ফোন ছিলো না। ছিলো না গেইম কিংবা কার্টুনের প্রতি আসক্তি হওয়ার সুযোগ। কেবল ছিলো শৈশবের দূরন্তপনা আর এক ভাবনাহীন প্রাণোচ্ছল জীবন। ইন্টারনেটে গেইম খেলার পরির্বতে ছেলেবেলায় ছিলো, ফুটবল, ক্রিকেট, হাডুডু, কানামাছি কিংবা লুকোচুরি খেলা, বড়শি দিয়ে মাছ ধরা, হরেক রকম গাছ দিয়ে বাড়ির আঙ্গিনায় ভরে ফেলা, রাতে বাড়ির আঙ্গিনায় বসে সকলে মিলে গল্প করা, বৃষ্টি দিনে মাটিতে পিচ্ছিল খেলা, কবিতা গানের আসর প্রতিযোগিতা, মাটির ব্যাংকে টাকা জমানো আবার বাড়ির বাশে মেলায় যাওয়ার জন্য সকালে শখের ব্যাংক ভেঙ্গে টাকা নিয়ে বন্ধুদের সাথে মেলায় ঘুরে আসা এই দিন গুলো কি চাইলে ভোলা যায়!

 

ছেলেবেলায় হেডফোন কানে গুজে গান শোনা হতো না। তবে সাদাকালো টিভিতে আলিফ-লায়লা ও সাপ্তাহিক বাংলা ছায়া ছবির দেখার উদগ্রীব হয়ে থাকতাম। আকাশে বিমান যাওয়ার আওয়াজ শুনে দৌড়ে যেতাম দেখতে আর মনে মনে ভাবতাম মানুষ কিভাবে এতো উঁচুতে বিমানে চড়ে?

 

সরষে খেত দেখলে ছবি তুলতে যেতাম না বরং একদৃষ্টে তাকিয়ে দিগন্ত বিস্তৃত হলুদের সমারোহ উপভোগ করতাম। যা আজকের দিনে আর দেখা যায় না। সেই দিন গুলো কথা এখন বার বার মনে পড়ে।

 

মুয়াজ্জিনের আজান সাথে সাথে পাখির কিচিরমিচির আওয়াজে ঘুম ভাঙ্গে সকালে । আর বন্ধুদের সাথে মক্তবে পাঠদানের জন্য যাওয়া কতোই না মজার। দিন গুলো যেনো না ভুলার মতো ছিলো। চিত্রতে যে দুই ছেলেকে দেখা যাচ্ছে ধুনট উপজেলা জোড়খালী থেকে তোলা ছবি ওই দিন গুলো কথা মনে করে দেয়।

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT