২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।শনিবার

কয়রায় হরিণের মাংস পাচারকালে ১ জন আটক।

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

 

 

অরবিন্দ কুমার মণ্ডল, কয়রা,খুলনা ঃ

কয়রা থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৬ কেজি হরিণের মাংস সহ ১ জন পাচারকারীকে আটক করেছে।

জানা গেছে গত শুক্রবার রাত ১০ টার দিকে কয়রা থানার অফিসার ইনর্চাজ মোঃ রবিউল হোসেনের নির্দেশে কাটকাটা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এস আই তাওহিদের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে উপজেলার আংটিহারা কাষ্টম অফিসের পার্শ্ববর্তী পাইলট রেস্ট হাউসের পরিত্যাক্ত সরকারী ভবনের মধ্য থেকে এ সকল হরিণের মাংস সহ তাকে আটক করা হয়। আটককৃত হরিণের মাংস সহ পাচারকারী হলেন, উপজেলার আংটিহারা গ্রামের আমিন উদ্দিন গাজীর পুত্র রফিকুল ইসলাম (৬০)। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরো ৫ পাচারকারী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কয়রা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রবিউল হোসেন বলেন, এ ব্যাপারে ১৯২৭ সালের বন্যপ্রাণী নিধন আইনের ২৮(১)খ/১-ক ধারায় মামলা হয়েছে। যার মামলা নং- ১২। মামলাটি তদন্তাধীন আছে।

 

 

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর নির্ঘুম রাত কাটছে এলাকাবাসীর

কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি : ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি
পর থেকে চোর আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটচ্ছে গ্রামের ছাগল মালিকরা। মইদুল ইসলামের ২ টি ছাগল চুরি হয়েছে। এর ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনার পর থেকে গ্রামজুড়ে চোর আতঙ্ক
বিরাজ করছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, কোটচাঁদপুর উপজেলার পাঁচলিয়া গ্রাম থেকে গত ১মাসে ৯ বাড়ি থেকে ১৬ টি ছাগল চুরির ঘটনা ঘটেছে। পল্লী চিকিৎসক আব্দুল আলিমের ১টি, তহিদুল ইসলামের ১টি, আশরাফুল ইসলামের ৩টি, সাইদুল ইসলামের
১টি, জহির হোসেনের ১টি, দুরুদ মন্ডলের ১টি, তসলেম উদ্দিনের ২টি, ও আবু কালামের ২টি রয়েছে। চোরেরা ছাগল মেরে রেখে যায় আরও ১টি।
মইদুল ইসলাম বলেন, গত ১০ বছর ধরে আমি পঙ্গু হয়ে ঘরে পড়ে আছি। মাঠে অল্প একটু জমি আছে, তা থেকে খাবার ধানটা কোন রকম আসে। বাজার আর অন্যান ব্যয়ভার চলতো
আমার ছাগল বিক্রি করে। ছাগল ২টি পেয়েছিলাম আমি ছাগল পোষানি থেকে। তাও নিয়ে গেল চোরেরা। তিনি বলেন,
৩ছেলে মেয়ে আর স্ত্রী নিয়ে আমার সংসার। সংসারের আয় করি আমি একাই। এদিকে একের পর এক ছাগল চুরির ঘটনায় নির্ঘুম রাত কাটছে ওই গ্রামের ছাগল মালিক লালন খন্দকার ও মমিনুর রহমান। তারা বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে
ছাগল পালন করে আসছি। এমন সমস্যা হয়নি কোনদিন
প্রায় দিন না ঘুমিয়ে রাত কাটছে এলাকাবাসীর। এ ব্যাপারে দোড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল জলিল বিশ্বাস বলেন, চুরির ঘটনা ঘটেছে আমি জানি। বিষয়টি উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় তোলা হয়েছে। তবে আজ পর্যন্ত কোনো
ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কোটচাঁদপুরের লক্ষ্মীপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক ( এসআই) মিজানুর রহমান বলেন, চায়ের দোকানে গল্প শুনেছি ১/২ টা ছাগল চুরি হয়েছে। এই ব্যাপারে আজ পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ ও করেনি

ঝিনাইদহের৷কোটচাদপুর ১ মাসে ১৬ টি ছাগল চুরি