1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
সাগরদাঁড়ি মধুসূদন একাডেমি’র আয়োজনে মধুসূদন দত্ত এঁর ১৫৩ তম মৃত্যবার্ষিকী পালিত। শ্যামনগরে স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সংলাপ। মণিরামপুরে ৩০ প্রান্তিক নারীকে ১০ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ ও অর্থ প্রদান করা হয়। কালীগঞ্জে ১৮০০ প্রান্তিক  কৃষকের মাঝে বীজ, সার বিতরণ। শ্যামনগরে একটি দোকানের ভিতর থেকে বড় অজগর সাপ উদ্ধার। সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি । বিলাইছড়িতে কৃষি অফিস কর্তৃক চারা বিতরণ । শ্যামনগরে সমন্বিত পানি সম্পদ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অর্ধবার্ষিক অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা। বিলাইছড়িতে করলিয়া প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সহনশীলতা পরিকল্পনার প্রচারণা সভা । ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর নুতন কমিটির সভাপতি মুফতী রেজাউল করিম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান।

শীতার্ত মানুষের শেষ ভরসা ফুটফাতের দোকান।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২১৫ বার পঠিত

সুজন কুমার তঞ্চঙ্গ্যা,
বিলাইছড়ি(রাঙ্গামাটি)প্রতিনিধিঃ-পৌষের হিমেল  কনকনে হাড় কাঁপানো শীতের  প্রকোপে জমে উঠেছে ফুটপাথের কমদামী গরম কাপড়ের দোকান। শীতার্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড় এসব দোকান গুলোতে। কেউ দেখছে, কেউ দরদাম করছে, কেউ কিনছে,কেউ এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরছে পছন্দের গরম কাপড়ের জন্য। 

বিলাইছড়ি উপজেলার ছোট বড় সব বাজার গুলোতে এখন ভ্রাম্যমান গরম কাপড়ের দোকানিদের দেখা মিলছে। দোকান গুলোতে রয়েছে বিভিন্ন বয়সের,বিভিন্ন শ্রেণির ক্রেতার উপচে পড়া ভিড়। ধনী-গরীব, হতদরিদ্র, ছিন্নমূল শ্রেণীর মানুষ তাদের পছন্দের গরম কাপড় ক্রয় এর জন্য ভীড় জমাচ্ছে এ সমস্ত দোকানে। ব্যবসায়ীরাও বেশ খুশি তারা বলছেন, প্রচন্ড শীতের প্রকোপ দিশেহারা নিন্ম আয়ের মানুষ। তারা কনকনে শীত থেকে বাঁচার জন্য ছুঁটে আসছেন এসব দোকানগুলোতে। সেক্ষেত্রে আমাদের বেঁচা বিক্রি যথেষ্ট ভালো তবে যদি শীতের ভিতরে দু একটা শৈত্য প্রবাহ আসে তাহলে বেচার বিক্রি আরো বেড়ে যেতে পারে।

 বাজারে কয়েকজন ভ্রাম্যমান কাপড় ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা জানান, তুলনামূলকভাবে অন্যান্য বছরে তুলনায় আমাদের বেচাকেনা ভালো হচ্ছে। পোশাকগুলো পুরাতন হলেও ব্যবহারের উপযোগী হওয়ায় ক্রেতা কেনার আগ্রহ প্রকাশ করছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় দামের তারতম্য থাকলেও সেটা খুব বেশি নয়।

অন্যদিকে ক্রেতারা ভিন্নমত পোষণ করে বলছেন, পুরাতন কাপড় হিসেবে দোকানিরা কয়েক গুণ বেশি দাম হাঁকছেন। যেটা আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। সে কারণেই বেশিরভাগ ক্রেতা দেখছেন কিন্তু কিনতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। ক্রেতাদের আশা দোকানিরা হয়তো দাম কমাবে এবং তখন তারা পছন্দের জিনিসটি ক্রয় করতে পারবেন।

মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র শ্রেণীর ক্রেতা বেশি লক্ষ্য করা যায় এ ভ্রাম্যমান দোকানগুলোতে কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন, মার্কেটের বড় বড় দোকান গুলোতে গরম কাপড়ের দাম আকাশচুম্বী। এক থেকে দুই  হাজার টাকার নিচে কোন পোশাক মিলবে না। যেটা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে।   অন্যদিকে এ সমস্ত দোকান গুলোতে অনেক শীতকে রুখতে পোশাক ৫০ টাকা থেকে ৫০০ শত টাকার মধ্যে পাওয়া যায়। সে কারণেই এসব দোকানে ক্রেতার উপস্থিতি অনেক বেশি।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT