1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কেশবপুরের মানবিক ডাক্তার কামরুজ্জামান। বিলাইছড়িতে পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে র‍্যালী ও আলোচনা সভা । বেনাপোলে ধানক্ষেত থেকে মৃতদেহ উদ্ধার। ভেড়ামারায় প্রাইভেট হাসপাতালে মালিকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার। সাংবাদিক আরিফুর রহমানের ভাইয়ের মৃত্যুতে কয়রা উপজেলা প্রেসক্লাবের শোক। ​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন। কেশবপুরে ৩দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলা সমাপ্ত। খুলনা নতুন বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন। সুন্দরবনে নিষিদ্ধ জালে মাছ শিকারকালে ৩জেলে সহ নৌকা আটক । অবৈধ কর্তন নিষিদ্ধ সুন্দরী কাঠ পাচারকালে ৪ জেলে আটক ।

দক্ষিণ বঙ্গের সর্ব বৃহৎ বিদ্যাপীঠ সরকারি বিএল কলেজের ১২০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী আজ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০২২
  • ১৭০ বার পঠিত

সরদার বাদশা খুলনা।

সরকারি বিএল কলেজ বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের অন্যতম প্রধান কলেজ যা খুলনা শহরে দৌলতপুরে ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত।১৯০২ সালের জুলাই মাসে খুলনার শিক্ষায় পৃষ্ঠপোষক শিক্ষানুরাগী শ্রীব্রজলাল চক্রবর্তী (শাস্ত্রী) কলকাতার হিন্দু কলেজেরে আদলে ২ একর জাযগার উপর দৌলতপুরে হিন্দু একাডেমী নামে এটি প্রতিষ্ঠিত করেন।পরবর্তীতে হাজী মহম্মদ মহসীন ট্রাস্ট তার সৈয়দপুর এস্টেটের ৪০একর জমি এই প্রতিষ্ঠানে দান করে এবং মাসিক ৫০ টাকা অনুদান বরাদ্দ করে।

দুটি টিনশেড ঘরে ১৯০২ সালের ২৭ শে জুলাই থেকে প্রতিষ্ঠানটির ক্লাশ শুরুহয়।একটি বোর্ড অব ট্রাস্টির মাধ্যম কলেজটি পরিচালনা করা হত যার সভাপতি ছিলেন শাস্ত্রী ব্রজলাল চক্রবর্তী।প্রথম দিকে সম্পূর্ণ আবাসিক এই প্রতিষ্ঠান টি চতুষ্পাঠী এবং একাডেমী নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত ছিল।চতুষ্পাঠীর ছাত্রদের খাবার, পড়া এবং আবাসন খরচ প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বহন করা হত।১৯১০-১৯১১সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টি তে প্রথম মুসলিম হোস্টেল নির্মিত হয়।মূল ভবনের বাইরে অবস্থিত এই মুসলিম হোস্টেলে আরবি এবং ফার্সি ভাষার ক্লাস নেওয়া হত।পরে ততকালিন শিক্ষামন্ত্রী শেরেবাংলা একে ফজলুল হকের নির্দেশে কলেজে প্রথম মুসলমান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠাকালে ঘাটভোগের (ফকিরহাট, বাগেরহাট) জমিদার ত্রৈলক্যনাথ চট্রোপাধ্যায় জমি ক্রয় করে দেন।১৯০৭ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান টি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত হয়।

১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠাতা ব্রজলালের মৃত্যুর পরে কলেজের নামকরণ করা হয় ব্রজলাল হিন্দু একাডেমী।পরবর্তীতে একাডেমিকে কলেজে উন্নীত করা হয় এবং নাম সংক্ষিপ্ত করে বিএল কলেজ রাখা হয়। কলেজটি পরে পর্যায় ক্রমে ঢাকাবিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যায় অধিভূক্ত হয় এবং এর পর থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত রয়েছে।১৯৬৭ সালের ১ জুলাই তারিখে এটি সরকারি কলেজে পরিণত হয়।১৯৯৩ সালে এটি কে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে উন্নীত করা হয়।

কলেজটিতে ২১টি বিষয়ে অনার্স পর্যায়ে এবং ২০টি বিষয়ে মাস্টার্স পর্যায়ে পাঠদান করা হয়।১৯৯৬সাল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পাঠদান বন্ধ হলে ও ২০১০সালে আবার এই স্তরে পাঠদান শুরু হয়েছে।ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দুইটি মহিলা হোস্টেল সহ মোট সাতটি হোস্টেল রয়েছে।বিভাগসমূহে আলাদা আলাদা সেমিনার লাইব্রেরী ছাড়াও খুবই সমৃদ্ধ একটি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার আছে।এ গন্থাগারে পুস্তকের সংখা প্রায় ১,১৮,৩৫০খানা।এখানে শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি সুনামের সাথে সহ-শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে।বাংলা, ইংরেজি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, অর্থনীতি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস, দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, মনোবিজ্ঞান, ভূগোল, পরিসংখ্যান, মার্কেটিং, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, উদ্ভিদবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান ও গণিত বিষয়ে অনার্স এবং মাস্টার্স কোর্স চালু আছে।এছাড়া ইসলামিক স্টাডিজ বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে।

শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই কলেজ দেশের শিক্ষা বিস্তারে অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে।দেশ বরেণ্য অনেক পন্ডিত এই কলেজে শিক্ষকতা করেছেন এবং এই কলেজের অনেক শিক্ষার্থী পরবর্তীতে দেশ বরেণ্য হয়েছেন। বর্তমানে কলেজটিতে প্রায় ৩৩ হাজার শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে এবং প্রায় দুইশত শিক্ষক কর্মরত আছেন।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT