1. dainikbanglerprottoy@gmail.com : admin : Nibas Dhali
  2. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
খুলনাতে অস্ত্র ও গুলির চালান সহ নারী আটক। জেলা পরিষদ সদস্য দায়িত্ব পেলে বিলাইছড়ি উপজেলা হবে উন্নয়নের রোল মডেল । হুমকির মুখে নওয়াপাড়া নদী বন্দর। খুলনা মহানগর যুবলীগ নেতা শওকত হোসেনকে রাজধানী থেকে গ্রেপ্তার। জেলা পরিষদ সদস্য পদে আলোচনায় জয়সিন্ধু : একবার সুযোগ দিলে আনবে উন্নয়নে গতি। খুলনার ডাকবাংলা মোড়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত -১। নিখোঁজ ব্যবসায়ী সূজনকে রহস্যজনকভাবে উদ্ধার ঢাকার কড়াইল বস্তিতে হবে ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন। বিলাইছড়িতে  ইউএনও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। খুলনার দিঘলিয়ায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা আহত -৩।

ডুমুরিয়ায় ঘেরের বেড়ীতে অফসিজন তরমুজ চাষ।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : বৃহস্পতিবার, ২৬ আগস্ট, ২০২১
  • ২১৭ বার পঠিত

রাশিদুজ্জামান সরদার ডুমুরিয়া খুলনা প্রতিনিধি।

 

ডুমুরিয়া ( খুলনা) দিগন্ত জুড়ে শুধু তরমুজ আর তরমুজ। দিগন্তের ঐ নীলিমার নীলে মিশে যেন একাকার হয়ে গেছে বুধবার সকালে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রমের এ বিলটির তরমুজ ক্ষেতগুলো। সমস্ত ঘেরেই শোভা পাচ্ছে এশিয়ান-২, সোনিয়া, ব্লাকবেবি, কানিয়া, তৃপ্তি, রেড ড্রাগন জাতের তরমুজ। এক একটি তরমুজ একেকটি স্বপ্ন। ঘেরেই পার্টি এসে নিয়ে যাচ্ছে, তরমুজ ; দিয়ে যাচ্ছে নগদ অর্থ। খামারেই প্রতিকেজি তরমুজের মূল্য জাত ভেদে ২৮-৩৩ টাকা। একবিঘা জমির ঘেরের পাড়ে তরমুজ লাগাতে ৮-১০ হাজার টাকা খরচ হয়। আর জাত ভেদে মাত্র ৬৫-৭০ দিনে ৬০,০০০-১০০০০০/- টকা লাভ করা যায়। লবন সহনশীল ফসল হওয়ায় লবনাক্ত বাগদা ঘেরের আইলে ও অনায়সে চাষ করা যায়। কোন সেচ খরচ লাগেনা, ঘেরের আইলে লাউ, মিষ্টি কুমড়া আবাদের মত পরিচর্যাতেই হয়ে যায়। তরমুজের জন্য তৈরিকৃত মাচা পরবর্তী শিমসহ অন্যান্য ফসলে ব্যবহার করা যায় এবং একবার তৈরিকৃত মাচা ২-৩ বছর ব্যবহার করা যায়। এছাড়া অন্যন্য ফসলের মত এটি বেচতে তেমন সমস্যা হয়না। বেপারি সরাসরি মাঠ থেকে কিনে নিয়ে যায়। কুলবাড়িয়া গ্রামের কৃষক আসাদ মোড়ল গত ২০/০৮/২১ তারিখে তার বিক্রয়কৃত ৩০ মনের মূল্য ৩৯৬০০ টাকা বুঝে পেয়ে খুব খুশি। অদ্য২৫/৮/২১ তারিখে এই তরমুজ চাষ পরিদর্শনে আসেন খুলনা-৫ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক সফল মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এবং অত্যন্ত সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। আগামীতে তিনি এই খাতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং কিভাবে ঢাকার বাজারে পৌছানোর মাধ্যমে ন্যয্যমূল্য পাওয়া যায় তিনি তা নিয়ে কাজ করবেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ মোছাদ্দেক হোসেন, উপসহকারী কৃষি অফিসার আশুতোষ দাস, প্রকাশ চন্দ্র রায় এবং কয়েকজন কৃষক।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT