1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
বিপিএল সিজন ৫ এর ২য় কোয়ালিফায়ার ম্যাচ অনুষ্ঠিত। কেশবপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগদানকৃত তিন জন ডাক্তারের সম্মানে সংবর্ধনা। কেশবপুরে বিভিন্ন জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ। শ্যামনগরে ৩য় শ্রেণী কর্মকর্তা/কর্মচারী কল্যাণ সংস্থার  সভাপতি গোলাম রব্বানী ও সম্পাদক  আকবর । নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এগোচ্ছেন এমপি ফজলুল হক মিলন আধুনিক কালীগঞ্জ গড়তে শিক্ষা-স্বাস্থ্য-যোগাযোগে একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প। কেশবপুরের ভালুকঘর বাজারে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত। কালীগঞ্জ সেন্ট্রাল কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে কেশবপুরে র‍্যালি ও আলোচনা সভা। কেশবপুরের গৌরীঘোনা প্রেসক্লাবের আয়োজনে নজরুল বর্ষ ২০২৬’ উৎযাপন। রাঙামাটি চ্যাম্পিয়ন লিগে চ্যাম্পিয়ন বিলাইছড়ি ফুটবল দলকে সেনা জোনের সংবর্ধনা।

হুমকির মুখে নওয়াপাড়া নদী বন্দর।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ২২৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

অভয়নগরের নওয়াপাড়ার বুক চিরে প্রবহমান ভৈরব নদ নাব্যতা সংকটে শিল্প ও বাণিজ্য নগরী নওয়াপাড়া হুমকির সম্মুখীন। হাজারো মানুষের জীবন জীবিকার উৎস এই ভৈরব নদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শিল্প ও বাণিজ্য নগরী নওয়াপাড়া। এই নদের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ব্যস্ততম নওয়াপাড়া নৌবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম মারাত্মক আকারে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে স্থবির হয়ে পড়বে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যিক কেন্দ্রটি।

ভৈরব নদীর দ্রাব্যতা সংকট, পলি জমে নদীর গভীরতা কমে যাওয়া, বেআইনি দখল, খাল খাল সংস্কারের অভাবে বন্দরের কার্যক্রম ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে এবং এ কারণেই কার্গো, মালবাহী জাহাজ ডুবি, বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া ও নিরাপত্তা সংকট যেমন ঘটছে তেমনি ব্যাবসা-বাণিজ্য শ্রমিক ও অর্থনীতির জন্য বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, নওয়াপাড়া নদী বন্দরের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অর্ধ কিলোমিটার জুড়ে নদীর দুই তৃতীয়াংশ চর পড়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও বন্দর এলাকার কাছে কিছু জায়গায় পলি জমে ভরাট হচ্ছে। নাব্যতা সংকট দেখা দিচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নুর আলম পাটোয়ারী বলেন, “নাব্যতা কমে যাওয়ায় খাদ্যশস্য বাহী কার্গো জাহাজগুলো ভাটার সময় বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না। নাব্যতা সংকটের সমাধান না হলে নওয়াপাড়ার ব্যাবসা-বাণিজ্য একেবারেই হারিয়ে যাবে, পথে বসতে হবে শত শত ব্যবসায়ীকে। একইসঙ্গে নওয়াপাড়া পৌরসভা অচল হয়ে পড়বে। সরকারও হারাবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। এ সময় তিনি আরও বলেন, “আমরা ব্যবসায়ী হিসাবে বিআইডব্লিউটিএ-এর কাছে জোর দাবি জানাবো নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি করার জন্য।”

নওয়াপাড়া সার ও খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী সমিতি নেতা মুজিবর রহমান বলেন, “নৌ বন্দরটি রেলপথের সুবিধা থাকায় বছরে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার কয়লা, সার, সিমেন্ট খাদ্যশস্যসহ আমদানি করা মালামাল এখানে খালাস হয়। পুরো বাণিজ্য ব্যবস্থা অনেকাংশে নির্ভরশীল ভৈরব নদের উপর। কিন্তু নদের বিভিন্ন স্থানে পলি জমে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে।”

এ ব্যাপারে নওয়াপাড়া বান্দরের উপপরিচালক মোঃ মাসুদ পারভেজ বলেন, “শুকনো মৌসুমে নাব্যতার সংকট একটু প্রকট আকার ধারণ করে সেই কারণে বিআইডব্লিউটিএ চারটি ড্রেজিং মেশিন দিয়ে খনন কার্য সম্পন্ন করা হয়েছে এবং মূল নদে কিছু কিছু জায়গায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে সেই সমস্ত স্থানে ইতোমধ্যেই আমাদের বিআইডব্লিউটিএ এর ড্রেজারের মাধ্যমে খনন কাজ করা হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় যে নাব্যতা সংকট ছিল সেগুলো অপসারণ করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে, দ্রুত এটা সমাধান হয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে নওয়াপাড়া বন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় ভৈরব নদের নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদি ড্রেজিং নিশ্চিত করা জরুরি অন্যথায় এই বন্দরটি তার নিজস্ব জৌলুস হারানোর পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে সব ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT