1. ashiskumarsaha90@gmail.com : Ashish Saha : Ashish Saha
  2. dainikbanglerprottoy@gmail.com : banglar : Nibas Dhali
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে স্বাস্থ্য সেবা বিষয়ক সংলাপ। মণিরামপুরে ৩০ প্রান্তিক নারীকে ১০ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে সনদ ও অর্থ প্রদান করা হয়। কালীগঞ্জে ১৮০০ প্রান্তিক  কৃষকের মাঝে বীজ, সার বিতরণ। শ্যামনগরে একটি দোকানের ভিতর থেকে বড় অজগর সাপ উদ্ধার। সরিষাবাড়ীতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি । বিলাইছড়িতে কৃষি অফিস কর্তৃক চারা বিতরণ । শ্যামনগরে সমন্বিত পানি সম্পদ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অর্ধবার্ষিক অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা। বিলাইছড়িতে করলিয়া প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় সহনশীলতা পরিকল্পনার প্রচারণা সভা । ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর নুতন কমিটির সভাপতি মুফতী রেজাউল করিম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান। যশোরে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও স্থায়িত্বশীল শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তঃধর্মীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত।

হুমকির মুখে নওয়াপাড়া নদী বন্দর।

রিপোর্টার নাম
  • প্রকাশিত তারিখ : শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬
  • ১৬৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক।

অভয়নগরের নওয়াপাড়ার বুক চিরে প্রবহমান ভৈরব নদ নাব্যতা সংকটে শিল্প ও বাণিজ্য নগরী নওয়াপাড়া হুমকির সম্মুখীন। হাজারো মানুষের জীবন জীবিকার উৎস এই ভৈরব নদকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে শিল্প ও বাণিজ্য নগরী নওয়াপাড়া। এই নদের তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ব্যস্ততম নওয়াপাড়া নৌবন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম মারাত্মক আকারে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ না নিলে স্থবির হয়ে পড়বে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যিক কেন্দ্রটি।

ভৈরব নদীর দ্রাব্যতা সংকট, পলি জমে নদীর গভীরতা কমে যাওয়া, বেআইনি দখল, খাল খাল সংস্কারের অভাবে বন্দরের কার্যক্রম ঝুঁকিপূর্ণ হচ্ছে এবং এ কারণেই কার্গো, মালবাহী জাহাজ ডুবি, বাণিজ্য ব্যাহত হওয়া ও নিরাপত্তা সংকট যেমন ঘটছে তেমনি ব্যাবসা-বাণিজ্য শ্রমিক ও অর্থনীতির জন্য বড় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, নওয়াপাড়া নদী বন্দরের ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় অর্ধ কিলোমিটার জুড়ে নদীর দুই তৃতীয়াংশ চর পড়ে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও বন্দর এলাকার কাছে কিছু জায়গায় পলি জমে ভরাট হচ্ছে। নাব্যতা সংকট দেখা দিচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নুর আলম পাটোয়ারী বলেন, “নাব্যতা কমে যাওয়ায় খাদ্যশস্য বাহী কার্গো জাহাজগুলো ভাটার সময় বন্দরে প্রবেশ করতে পারছে না। নাব্যতা সংকটের সমাধান না হলে নওয়াপাড়ার ব্যাবসা-বাণিজ্য একেবারেই হারিয়ে যাবে, পথে বসতে হবে শত শত ব্যবসায়ীকে। একইসঙ্গে নওয়াপাড়া পৌরসভা অচল হয়ে পড়বে। সরকারও হারাবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব। এ সময় তিনি আরও বলেন, “আমরা ব্যবসায়ী হিসাবে বিআইডব্লিউটিএ-এর কাছে জোর দাবি জানাবো নদীর নাব্যতা বৃদ্ধি করার জন্য।”

নওয়াপাড়া সার ও খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী সমিতি নেতা মুজিবর রহমান বলেন, “নৌ বন্দরটি রেলপথের সুবিধা থাকায় বছরে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার কয়লা, সার, সিমেন্ট খাদ্যশস্যসহ আমদানি করা মালামাল এখানে খালাস হয়। পুরো বাণিজ্য ব্যবস্থা অনেকাংশে নির্ভরশীল ভৈরব নদের উপর। কিন্তু নদের বিভিন্ন স্থানে পলি জমে নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে।”

এ ব্যাপারে নওয়াপাড়া বান্দরের উপপরিচালক মোঃ মাসুদ পারভেজ বলেন, “শুকনো মৌসুমে নাব্যতার সংকট একটু প্রকট আকার ধারণ করে সেই কারণে বিআইডব্লিউটিএ চারটি ড্রেজিং মেশিন দিয়ে খনন কার্য সম্পন্ন করা হয়েছে এবং মূল নদে কিছু কিছু জায়গায় নাব্যতা সংকট দেখা দিয়েছে সেই সমস্ত স্থানে ইতোমধ্যেই আমাদের বিআইডব্লিউটিএ এর ড্রেজারের মাধ্যমে খনন কাজ করা হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় যে নাব্যতা সংকট ছিল সেগুলো অপসারণ করতে চেষ্টা চালানো হচ্ছে, দ্রুত এটা সমাধান হয়ে যাবে।

সংশ্লিষ্টদের মতে নওয়াপাড়া বন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় ভৈরব নদের নিয়মিত ও দীর্ঘমেয়াদি ড্রেজিং নিশ্চিত করা জরুরি অন্যথায় এই বন্দরটি তার নিজস্ব জৌলুস হারানোর পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে সব ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে সেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও খবর
© All rights reserved © 2021-2022
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: BDiT